স্বপ্নের সময় কাটাচ্ছেন ওয়ার্নার

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৯, ২১:৪৮

স্পোর্টস রিপোর্টার

সত্যিই স্বপ্নের মতো সময় কাটাচ্ছেন তিনি। নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরেই বিশ্বকাপ। আর বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ৫০০ রান করে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক!

বিশ্বকাপে আরেকটা ফিফটি করে ৫০০ রান পূর্ণ করার পর ডেভিড ওয়ার্নার বলেছেন, তিনি অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে স্বপ্নের মতো একটা সময় কাটাচ্ছেন। আর ইংল্যান্ড সমর্থকদের কোনো দুয়ো ধ্বনিই তার মনের এই আনন্দ নষ্ট করতে পারবে না।

সর্বশেষ ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়া খেলেছে ইংল্যান্ডেরই বিপক্ষে। সেখানে স্বাগতিকদের হারানোর পথে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের সাথে ১২৩ রানের উদ্বোধনী জুটি করেছেন ওয়ার্নার। সেই সাথে টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট ইংল্যান্ডকে বিপাকে ফেলে দিয়ে সবার আগে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

কিন্তু এমন সুখের সময়েও বিরক্তিকর একটা ব্যাপার সহ্য করতে হচ্ছে ওয়ার্নারকে। তাকে ও তার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে প্রতিটি ভেন্যুতে ইংলিশ সমর্থকরা দুয়ো ধ্বনি দিচ্ছে। যে বল টেম্পারিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ছিলেন, সেটা তারা বারবার সামনে নিয়ে আসছে।

ওয়ার্নার বলছেন, দর্শকদের এটা করার পুরো অধিকার আছে। তিনি হেসে এই আচরণকে উড়িয়ে দিচ্ছেন বলে বলছিলেন, ‘দিনশেষে লোকেরা যারা মাঠে আসছে, তাদের এটা করার অধিকার আছে। কারণ তারা ডলার খরচ করে মাঠে আসছে। এখন তারা যদি দুয়ো দিতে চায়, তারা সেটা করতে পারে। আমি আগেও যেমন বলেছি, আমি দলের হয়ে খেলতে পেরে শিহরিত, আমি এটা খুব ভালোবাসছি। কিন্তু দিনশেষে আমাকে হেসে এসব (দুয়ো) গ্রহণ করতে হবে। কারণ, তারা অর্থ খরচ করে মাঠে আসছে আমাদের দেখতে। ফলে তারা যে আসছে, এ জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে।  আমি সবসময়ই হেসে এসব উড়িয়ে দেই। আমার চশমাটা খুলে চোখে চোখ রেখে হেসে দেই।’

ইংলিশ সমর্থকরা চেষ্টা করছেন, ওয়ার্নারদের এই হাসিখুশী মনোভাবটা গুঁড়িয়ে দিতে। তারা যেনো বারবার বল টেম্পারিংয়ের কথা মনে করিয়ে দিতে চান এই সমর্থকরা। কিন্তু ওয়ার্নার বলছেন, তিনি যে স্বপ্নের সময় কাটাচ্ছেন, এটা এসবে নষ্ট হওয়ার নয়, ‘দেখুন আমার কাছে এখন ক্রিকেটই সব। আমি একটা স্বপ্নের মধ্যে বাস করছি। আমি এই ম্যাচটা লর্ডসে খেললাম, আমার দেশের হয়ে খেললাম। এই অনুভূতি তো নষ্ট হবে না।’

ওয়ার্নার বলছিলেন, এই ফিরে আসার পর তিনি সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটটা উপভোগ করছেন, ‘আমার কাছে এখন পুরো ব্যাপারটা হলো উপভোগের। আপনার কাছ থেকে কেউ যখন এটা (ক্রিকেট) কেড়ে নেবে, তখনই কেবল আপনি বুঝতে পারবেন, এর কী মূল্য।’