সতীর্থদের শান্ত থাকতে বলছেন রুট

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৯, ২১:৫১

স্পোর্টস রিপোর্টার

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে টপ ফেভারিট ছিল ইংল্যান্ড। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপ শুরু করা দলটা প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল। শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরপর দুটি ম্যাচ হেরে বসায় সেই ইংল্যান্ডের এখন সেমিফাইনালে খেলাই হুমকির মুখে পড়ে গেছে। সাত ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পাওয়া ইংলিশদের সেমিতে খেলার আশা এখনো অটুট আছে। শেষ চারে খেলতে হলে লিগ পর্বের বাকি দুটি ম্যাচে জিততেই হবে ইংল্যান্ডকে।

তবে সেখানে স্বাগতিকদের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। কারণ পরের দুই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ভারত (৩০ জুন) ও নিউজিল্যান্ড (৩ জুলাই)। তবে এই দুই ম্যাচের একটিতে জিতেও সেমিতে যেতে পারে ইয়ন মরগানের দল। আর একটি ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ১০। আর বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যদি তাদের শেষ দুটি ম্যাচের অন্তত একটিতে হেরে যায়, তাহলে এই দুদলের পয়েন্ট হবে ৯। সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ড চলে যাবে শেষ চারে। অবশ্য সমীকরণে শ্রীলঙ্কাও থাকছে। তাদের পরের তিন ম্যাচের রেজাল্টের ওপর নির্ভর করছে লঙ্কানদের টিকে থাকা বা ছিটকে পড়ার বিষয়টি। আপাতত এত বড়ো সমীকরণের দিকে তাকাচ্ছে না ইংল্যান্ড। ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করছে ইংলিশরা। ৩০ জুন বার্মিংহামে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে স্বাগতিকরা। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সতীর্থদের শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইংল্যান্ডের টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান জো রুট। ম্যাচটা তাদের জন্য মাস্ট-উইন এবং ভারতের বিপক্ষে বড়ো রানের ম্যাচ হবে বলে আশা করছেন তিনি।

বার্মিংহামে ভারতের সমর্থকরা গ্যালারিতে ভিড় করবে। যেখানে কোহলিরা প্রচুর সমর্থন পাবেন। যা চাপ তৈরি করবে স্বাগতিকদের জন্য। রুট বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, পরের ম্যাচগুলোতে আমাদের শান্ত থাকতে হবে। কারণ এখানে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে এজবাস্টনের পরিবেশে।’

এখনো ইংল্যান্ডের সেমিতে খেলার সামর্থ্য রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন টুর্নামেন্টে দুটি সেঞ্চুরি করা রুট। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সেমিতে উন্নীত হওয়ার সামর্থ্য আমাদের আছে। যখন এটা হবে, তখন কীভাবে এখানে আসলেন তা বড়ো কিছু হবে না কারণ টুর্নামেন্টটা ঐ সময়ই মূল গতি পাবে।’

তবে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে সমর্থন না পেলেও চিন্তিত নন রুট। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘এটা অনেক সময় হতাশার, কিন্তু এটাই হয়। অনেক দর্শক আসে, কিন্তু এটা নিয়ে আমরা ভাবছি না। গত গ্রীষ্মে আমরা এজবাস্টনে ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছি, আমরা অনেক উপভোগ করেছি এবং নিজেদের কাজটা করেছি।’