বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভাওয়াল রাজাবাড়ি ইউনিয়নের রাজাবাড়ি বাজার সংলগ্ন অগ্রণী ব্যাংকের পেছনের পুকুর থেকে সাবিনা আক্তার (২২) নামে এক নারী শ্রমিকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। শ্রীপুর থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান। নিহত সাবিনা আক্তার গাজীপুরের তেলিপাড়া গ্রামের নাহিদের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তেলিপাড়া এলাকার আকতার হোসেনের ছেলে নাহিদের সঙ্গে সাবিনা আক্তারের বিয়ে হয়। সাবিনা বছর তিনেক আগে গাজীপুর মহানগরের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। সেখান থেকে নাহিদের সঙ্গে তার পরিচয় ও পরে বিয়ে হয়। কিন্তু নাহিদের পরিবার এ বিয়ে মেনে নেয়নি। এরপর শারমিন শ্রীপুর উপজেলার ধলাদিয়া গ্রামের শারমিন টেক্সটাইল লিমিটেডে শ্রমিকের চাকরি নেন ও সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের কামাল হোসেনের বাড়িতে ঘর ভাড়া নেন। তাদের দেড় বছরের এক পুত্রসন্তান রয়েছে। নিহতের খালা ছোলেমা বেগম জানান, সাবিনা একাধিক ছেলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলত। ২৫ জুন রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে সাবিনাকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল।
জমি নিয়ে বিরোধে গৃহবধূর গায়ে আগুন
গাজীপুরের শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক গৃহবধূকে ঘরের ভেতর আটকে আগুনে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো দায়ের কোপে গৃহবধূর স্বামী গুরুতর জখম হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহত দুই জনকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। জানা গেছে, মুলাইদ এলাকার ফজলুল করিম মেন্দির পুত্র শাহিদ মিয়া ও তার স্ত্রী মোর্শেদার সঙ্গে একই এলাকার আহাম্মদ আলীর পুত্র নুরু মিয়া, বাচ্চু মিয়া, জাফর আলী ও ফেরদৌসদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে নুরু মিয়ার নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী শাহিদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে শাহিদ ও মোর্শেদাকে কুপিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে তারা গৃহবধূর ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার ও মোটরসাইকেলের পেট্রোলের লাইন খুলে আগুন জ্বালিয়ে দিলে ঐ বাড়ি পুড়ে যায়, সেই সঙ্গে দগ্ধ হন গৃহবধূ মোর্শেদা। এ ঘটনায় শাহিদ মিয়া বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন
