ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়ে ক্রেতা বিক্রেতা সবাইকে সচেতন হতে হবে। একটি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও ক্ষতিকর, এটিও যেন ক্রেতার হাতে না পৌঁছায়। ফার্মেসির কোথাও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ মওজুদ বা সংরক্ষণ করা যাবে না। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয়ের জন্য সেলফ, ড্রয়ার, রিফ্রিজারেটর অথবা ফার্মেসির কোথাও পাওয়া গেলে জব্দ করত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর পদ্মাপাড়ের বিজিবি’র সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নির্মূলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়া তিনি ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে পৃথক সভায় বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি রাজশাহী শাখা আয়োজিত সভায় সমিতির সভাপতি জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। সভায় মেয়র লিটন বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সভায় জানানো হয়, ২৮ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জে, ২৯ জুন নাটোরে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। একই সাথে তিনি রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরে মডেল ফার্মেসি এবং মডেল মেডিসিন শপ উদ্বোধন করবেন।
