স্থানীয় প্রশাসন শক্তিশালী না করা হলে পার্বত্য শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব না

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৯, ০০:৪১

শান্তিচুক্তির ২২ বছর পার হয়েছে। এখন শুধু উন্নয়ন দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধান করা যাবে না। জাতিগত, ধর্মীয় ও ভূমি সমস্যার সমাধান দিয়ে তাদেরকে আশ্বস্ত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী না করা হলে পার্বত্য শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব না। পাহাড়িরা তাদের অধিকারগুলো পাচ্ছে কি না তাও দেখা জরুরি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন : সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের গুরুত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। বৈঠকে সাবেক কূটনীতিক ও আইসিএলডিএসের চেয়ারম্যান মো. জমিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও কূটনীতিক সি এম শফি সামি তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, স্থায়ী শান্তির জন্য সরকারকে রাজনৈতিক সদিচ্ছার বাস্তবায়ন করতে হবে। সামাজিক শান্তি ও সংহতি না থাকলে অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব নয়। সাবেক কূটনীতিক শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, শান্তিচুক্তির ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালাতে হবে। এছাড়াও বৈঠকে অধ্যাপক আমেনা মহসিন, অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বক্তব্য দেন। দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিএলডিএসের নির্বাহী পরিচালক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব) আবদুর রশীদ প্রমুখ।