বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

‘টাবু দির সাথে কথা হলেই বলেন, চলে আয়’

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:৩৭

আর মাত্র ক’টা দিন পরেই নেটফ্লিক্সে প্রথম কোনো হিন্দি ছবিতে অভিষেক হতে যাচ্ছে বাঁধনের। একইসাথে বাংলাদেশি অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও এটি একটি রেকর্ড। বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত এই ছবির নাম ‘খুফিয়া’। ছবিটি ও সাম্প্রতিক ব্যস্ততা নিয়ে ইত্তেফাকের সঙ্গে কথা বললেন অভিনেত্রী বাঁধন। 

৫ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে আপনার প্রথম হিন্দি ছবি ‘খুফিয়া’। কেমন লাগছে? 

আমি তো খুবই এক্সাইটেড। বিশেষ করে আমার মেয়ে, পরিবারের সকলের ভালোলাগাটা অন্যরকম। ওরা সারাদিনের কোনো না কোনো সময় নেটফ্লিক্সের মুভি সিরিজ দেখে। তো এখন নেটফ্লিক্সের স্ক্রলিংয়ের শুরুতেই তো ‘খুফিয়া’ ছবির আপকামিং পোস্টার ভেসে ওঠে। সবাই চিত্কার দিয়ে ওঠে! রিমাইন্ডার দিয়ে রেখেছে সকলেই। 

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা অনেক জায়গায় বলেছেন। কিন্তু আমি শুনতে চাই, বলিউডে তুমুল ব্যস্ত এখন টাবু। সেখানে এই ছবিটি করার পর তার সাথে যে সম্পর্কটা তৈরি হলো সেই যোগাযোগটা কেমন রয়েছে?

টাবু খুবই মাই ডিয়ার। আমার যে কোনো টেক্সটের রিপ্লাই দেন। খোঁজখবর নেন। এত ব্যস্ত একজন সুপারস্টার, কিন্তু একদম মাটির মানুষ। আমি ভেবেছিলাম টাবু আমাকে ভুলে যাবেন। আর কোনো রেসপন্স পাবো না। তিনি আমাকে অবাক করেছেন। আমার জন্মদিন থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপলক্ষে আমাকে উইশ করেছেন। আমি এক রকম ফ্যানবয় হিসেবেই তো টাবুর সাথে প্রথম মিট করি। এরপর শুটিং ভ্যানে আমাদের দারুণ সময় কেটেছে। ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কটাও দারুণভাবে এগিয়েছে।

তো ছবি রিলিজের আগে সকলেই প্রমোশনে ব্যস্ত থাকে। সেক্ষেত্রে আপনি মুম্বাই যাবেন কি-না?

না, আপাতত কোনো প্ল্যান নেই। তবে টাবুদি আমাকে যেতে বলেছেন। এখন কথা হলেই বলেন চলে আয়। এত আন্তরিকতার সাথে বলেন মনে হয় কতদিনের চেনা। আমি এখানকার কিছু কাজের রেফারেন্স তাকে পাঠিয়েছি। তিনি খুবই প্রশংসা করেছেন।

বড় স্বপ্ন পূরণের আশায় অনেকেই তো মুম্বাই বাসা বাঁধেন। কতরকম গল্প শুনি। আপনার যেহেতু মেইনস্ট্রিম বলিউড প্রডাকশনের সাথে কাজ করার সুযোগ হলো। ‘খুফিয়া’ রিলিজের পরে তেমন কোনো ইচ্ছে আছে কী?

মানে মুম্বাইতে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার কথা বলছেন? সেটা করতে চাইলে তো কবেই করতাম। আমার পক্ষে তা সম্ভব না। আমি বাংলাদেশের বাঁধন হয়েই থাকতে চাই। সাদ এর মুভিটার পরে আমাকে নিয়ে এই গুরুত্বটাকে আমি এনজয় করি সবসময়। আমার উচ্চাভিলাষ কখনও ছিল না। ভবিষ্যতেও থাকবে না। আমি ‘খুফিয়া’ রিলিজর পর এর রি-অ্যাকশন দেখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি খুব পরিশ্রম করে, সততার সাথে সবটুকু দিয়ে কাজটি করেছি। আশা করি, দর্শকেরা উপভোগ করবেন।

‘খুফিয়া’ মুভিতে আপনার চরিত্রের গুরুত্ব কতটুকু? নাকি সেগুলো হিসেব করেননি আপনি?

দেখুন, প্রথমত আমার চরিত্রের অংশটুকু ডিরেক্টরস টিম আমাকে শুনিয়েছেন। আমি তা শুনেই কাজটি করতে সম্মত জানিয়েছি। আর চরিত্রের গুরুত্ব কিন্তু সিকোয়েন্স গুনে হয় না। অভিনয়ের জায়গা থাকলে অল্পতেই নজরে আসা যায়। 

তবুও ‘খুফিয়া’ মুভিতে আপনার চরিত্রের বিষয়টা একটু জানতে চাই—

এটা বলা বারণ আছে টিমের। এমনকি আমার মোবাইলে শুটিংয়ের অনেকগুলো ছবি, ভিডিও আছে। ছবি রিলিজের আগে তা কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা নিষেধ। তাই সবটুকু ৫ তারিখের জন্যই থাকুক। শুধু এটুকু বলে রাখি, ছবির দারুণ এক ক্লাইমেক্সে আমার এন্ট্রি হয়। 

আপনার জন্য শুভকামনা। ‘খুফিয়া’ ছাড়া কোনো বলিউড প্রডাকশনে কী পাওয়া যাবে সামনে বাঁধনকে? 

সময় হলে জানাবো। 

ইত্তেফাক/এএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন