চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
চিতলমারীতে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অর্ধবার্ষিকী ও প্রাকনির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালীন বিদ্যুত্ বিভ্রাটের কারণে বোর্ড প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সে কারণে বাধ্য হয়ে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিকল্প ব্যবস্থায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হচ্ছে। উপজেলা সদরে কিছুটা বিদ্যুত্ বিভ্রাট কম হলেও প্রচণ্ড গরমে মফস্বল এলাকায় বিদ্যুত্ বিভ্রাট বেড়েই চলেছে। ফলে বোর্ড থেকে সরবরাহ করা প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের উদ্যোগটি ব্যাহত হচ্ছে।
সম্মেলনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল কুমার শিকদার জানান, প্রতি পরীক্ষার দিন সকাল ৮টা সাড়ে ৯টার মধ্যে প্রশ্ন ডাউনলোডের নির্দেশনা থাকলেও অধিকাংশ দিনে বিদ্যুত্ বিভ্রাটের কারণে প্রশ্ন ডাউনলোডে সমস্যা দেখা দেয়। তা ছাড়া দুই-একটি প্রতিষ্ঠানে ফটোকপি মেশিন থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানকে বাইর থেকে প্রশ্ন ফটোকপি করতে হয়। যে কারণে পরীক্ষা গ্রহণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অবনী মোহন বসু জানান, পরীক্ষা চলাকালীন বা পরীক্ষার পূর্বে বিদ্যুত্ বিভ্রাটসহ বিভিন্ন জটিলতায় অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে বিকল্প প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ করছেন। এ ব্যাপারে একাধিকবার চিতলমারী পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির এজিএম’র সঙ্গে কথা বলা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।
চিতলমারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মোফিজুর রহমান জানান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ বিদ্যুত্ বিভ্রাট ও বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত প্রশ্নপত্র ডাউনলোডের বিভিন্ন সমস্যার কথা আমাকে অবহিত করেছেন। এ ছাড়াও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অনুমতিক্রমের বিকল্প প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ করছেন। বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন জানান, চিতলমারীর বিভিন্ন এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের জন্য কাজ চলছে যে কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুত্ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। তা ছাড়া পরীক্ষার বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস লিখিতভাবে পল্লী বিদ্যুেক অবহিত করেননি। এখন থেকে পরীক্ষার সময় বিদ্যুত্ বিভ্রাট থাকবে না।
