আইসিসির ‘মিডিয়া ডে’তে টাইগারদের খুনসুটি 

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ১৭:৫৮

আর একটি রাত মাত্র, এর পরই সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে চার বছরের অপেক্ষার। গত আসরের ফাইনাল খেলা দুই দল নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের। এর আগে দুটি করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। আর সেই সময়ে দলগুলোকে নিয়ে আইসিসি আয়োজন করেছিল ‘মিডিয়া ডে’। সেই আয়োজনে অন্যরকম একটি দিন পার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মাঠের লড়াইয়ের আগে সাকিব-মাহমুদরা আছেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে। আইসিসির প্রকাশিত ভিডিওতে সেটাই দেখা গেছে।

গত পরশু রাতে টাইগারদের মিডিয়া ডের ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ভিডিও বিশ্বকাপের ওয়েবসাইট ও আইসিসির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছে আয়োজকেরা। সেখানে দেখা যায়, সাকিব-তাসকিন-মিরাজরা বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন। এছাড়া গোটা ভিডিওতে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে উপস্থাপনা করতে দেখা যায় স্পিনার নাসুম আহমেদকে। তিনি একে একে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের সামনে তার হাতে থাকা মাইক্রোফোন ধরেন। এরপর দলে থাকা সিনিয়র দুই ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানের কাছেও নিয়ে যান।

নাসুমের মাইক্রোফোনে মেহেদী হাসান মিরাজ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়ে বলেন, ‘আমি ভালো বোধ করছি। এখানে অনেকবার এসেছি। ভারতে অনেক ম্যাচ খেলেছি। আমি খুশি এখানে এসে।’ এ সময় তাকে দুষ্টুমির ছলে জ্বালাতন করতে আসেন টাইগার ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত। দলে এ দুই ক্রিকেটার বেশ ভালো বন্ধু, টাইগারদের হয়ে বর্তমানে পালন করছেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে একসঙ্গে খেলেছেন তারা। একপর্যায়ে ‘সে আমাদের সহ-অধিনায়ক...’ বলে কথা বলতে শান্তকে মাইক্রোফোনের সামনে আনতে চাইলেও পারেননি মিরাজ। 

ভিডিওর একপর্যায়ে নাসুম মাইক্রোফোন হাতে চলে যান দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাছে। সে সময় তিনি এক স্থানে বসে চা খাচ্ছিলেন। জানান, রিয়াদকে চা বানিয়ে খাওয়ান তিনিও। নাসুমের চা ‘যে কারো চেয়ে ভালো’—স্বীকৃতি দেন রিয়াদ। এরপর ভারতে খেলার অভিজ্ঞতা জানিয়ে রিয়াদ বলেন, ‘ভারত আমাদের দ্বিতীয় ঘরের মতো। এখানকার খাবার ও চা অসাধারণ। এখানে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে।’ ভিডিওর শেষে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কাছে যান নাসুম। তিনি অবশ্য হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি কিছু বলতে চাই না, নো কমেন্টস।’ ভিডিওতে আরও দেখা যায় টাইগারদের বিশ্বকাপের জন্য আলাদা আলাদা ফোটোসেশনে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে ছবি তুলতে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ