'দুঃসাহসী খোকা' সিনেমায় তৃনা ও তুর্য

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ১৪:২৫

মাসুম রেজার কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্যে মুশফিুকর রহমান গুলজারের পরিচালনায় বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে সিনেমা 'দুঃসাহসী খোকা'। যেখানে বঙ্গবন্ধুর শৈশবের ঘনিষ্ট বন্ধু তারা মিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছে শিশু শিল্পী নাবিদ রহমান তুর্য। আর বঙ্গবন্ধুর সেজো বোন হেলেন চরিত্রে অভিনয় করেছে শিশু শিল্পী নওশীণ তাবাসসুম তৃনা। সিনেমাটি বঙ্গবন্ধুর শিশু কিশোর ও শৈশবের তারুণ্য দীপ্ত ঘটনা নিয়ে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র।

টিভি প্রোগ্রাম, ধারাবাহিক নাটক ও টিভি বিজ্ঞাপনের পরে এবার সিনেমা অঙ্গনে অভিনয় শুরু করলো এই জমজ ভাই বোন তৃনা ও তুর্য। ঢাকার পিলখানায় বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের ইংরেজি ভার্সনে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তারা। খুব ছোট বয়সে বাসায় গান, কবিতা আর অভিনয়ের হাতেখড়ি হলেও, চর্চাকে শানিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, শিশু একাডেমী, ছায়ানট, পিপলস লিটল থিয়েটার ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সারেগামা স্কুলের নিয়মিত শিক্ষার্থী তারা।

এথিক থিয়েটারের পুরোধা, নাট্যকার কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রেজানুর রহমানের উৎসাহে সিনেমায় পা বাড়ানো তাদের দুজনের।       

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। স্টার সিনেপ্লেক্স এর বিভিন্ন হলে প্রদর্শিত হচ্ছে দুঃসাহসী খোকা সিনেমা। যা ইতোমধ্যে দর্শক প্রিয়তা পাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর শৈশবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌম্য জ্যোতি।

সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে তুর্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর শৈশব কৈশোর নিয়ে নির্মিত এমন ঐতিহাসিক সিনেমায় অভিনয় করার জন্য বঙ্গবন্ধুর অসামাপ্ত আত্মজীবনীসহ বেশ কিছু বই পড়তে হয়েছে। যার মাধ্যমে অনেক ইতিহাস জানার সুযোগ পেয়েছি। একই সাথে সরকারি অনুদানের এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ইতিহাসের অংশ হতে পেরে নিজেকে সত্যিই ধন্য মনে হচ্ছে। এজন্য পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এ শিশু শিল্পী। সিনেমায় প্রথম অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে উচ্ছসিত শিশু শিল্পী তৃনা। বলেন, টিভি নাটকের ধারাবাহিকে কাজের পরে সিনেমায় কাজ করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অন্যরকম। আর এমন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক কাজের অংশ হতে পারাটাও অনেক শিক্ষণীয়। শুটিং এর সময়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়াসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের শিক্ষাগুলো আগামীতে অভিনয় শিল্পী হিসেবে আরো বেশি অভিজ্ঞ করে তুলবে নিজেকে, এমনটাই মনে করেন তৃনা।

এই সিনেমায় কাজ করতে সুযোগ দেয়ায় তৃনা এবং তুর্য দু’জনেই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লে. কর্নেল জোনায়েদ আহমেদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল স্যারের উৎসাহ আর শুটিং কালীন স্কুল ছুটির দীর্ঘ অনুমতি না পেলে এমন কাজে অংশ নেয়ার এমন সুযোগ কখনোই পাওয়া যেতো না।

ইত্তেফাক/এসসি