পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার জয়কুল গ্রামে একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে অভিযুক্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে জয়কুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে ঘটনাটি ঘটে। এসময় আসামি হায়দার আলী হাওলাদার ও তার স্ত্রী সানজিদা আক্তার পরী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, জয়কুল গ্রামের মো. পনিরের স্ত্রী হ্যাপি বেগম বৃহস্পতিবার কাউখালী থানায় একই গ্রামের হায়দার ও তার স্ত্রী সানজিদা বেগম পরীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেয়। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কাউখালী থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. কাদের জয়কুল গ্রামে হায়দারের বাড়ি গিয়ে হায়দারকে ডাকাডাকি করলেও দরজা খুলেনি। কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ না করে হঠাত্ দরজা খুলে হায়দার ও তার স্ত্রী পরী বেগম উপ-সহকারী পরিদর্শক রফিকের উপর ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় রফিক নিজেকে রক্ষা করতে গেলে তার দুহাত ও মুখমন্ডলে দায়ের কোপ লাগে। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হায়দার ও তার স্ত্রী কৌশলে পালিয়ে যায়।
আহত এএসআই রফিকুলকে প্রথমে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক উন্নত চিকিত্সার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ছিদ্দিকুর রহমান জানান, আহত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রফিকুলের বাম হাতের কবজির উপরে ও ডান হাতে এবং মুখমন্ডলে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
কাউখালী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার পুলিশের এএসআই রফিকুলের আহতের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আহমাদ মাঈনুল হাসান।
