বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের হয়ে বাবা-ছেলে জুটির গল্প

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৩, ১৬:৪৪

হায়দ্রাবাদের রাজীভ গান্ধী স্টেডিয়ামে আজ (শুক্রবার) পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে নেদারল্যান্ডস। ডাচদের একাদশে জায়গা পেয়েছেন বাস ডি লিডি। আর এতেই ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে গেলো তারা নাম। বাস ডি লিডির বাবা টিম ডি লিডিও ১৯৯৬ এর ওয়ানডে বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন। তারা হলেন ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইতিহাসের সপ্তম বাবা-ছেলে জুটি। 

১৯৯৬ সাল সেটা ছিল নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ। সেবারও টিম ডি লিডির বিশ্বকাপ অভিষেক ছিল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের ভাদোদারায়। ছেলে বাস ডি লিডিও মাঠে নামলেন ভারতেই, বিশ্বকাপ অভিষেক ম্যাচে।

নানা প্রেক্ষিতেই টিম ডি লিডি ছিলেন নেদারল্যান্ডসের তারকা ক্রিকেটার, বাস ডি লিডিও এখন ডাচ ক্রিকেট দলের সবচেয়ে বড় তারকা। ফাস্ট বোলিং অলরাউন্ডার বাসের পারফরম্যান্সও নজরকাড়া, শেষ পাঁচ ম্যাচের রান- ১২৩, ৩৯, ৪১, ৩৩, ৪১*। গত বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮৯ রানের একটি ইনিংসও খেলেছেন এই অলরাউন্ডার।

একই ম্যাচে ১০০ রান ও ৫ উইকেট নেওয়ার বিরল এক রেকর্ডও রয়েছে তার নামের পাশে, এই তালিকায় আছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী ভিভ রিচার্ডস, ইংল্যান্ডের পল কলিংউড, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রোহান মুস্তফার।

যদিও বাস ডি লিডি একজন প্রফেশনাল ক্রিকেটার, তার বাবা ছিলেন চাকুরিজীবি, ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্মৃতি রোমন্থন করেন বলেছিলেন, “তখন (১৯৯৬ সালে) বেতন ছিল না, চুক্তি ছিল না, কিন্তু অনেক আনন্দ ছিল খেলায়। আমরা চাকরি থেকে ছুটি নিয়ে খেলতে আসতাম”।

টিম ডি লিডি ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপেও খেলেছেন। ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের একটি ম্যাচে টিম ৩৫ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছিলেন। শচিন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়ের উইকেটও ছিল যার মধ্যে। বড় ব্যবধানে হেরে গেলেও টিম ডি লিডি ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এবারের বিশ্বকাপে অনেকেই নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অঘটন ঘটানোর সম্ভাবনা দেখছেন।

সূত্র: বিবিসি 

ইত্তেফাক/জেডএইচ