কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন

মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৯, ২৩:৫৫

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন জমে উঠেছে। দলীয়ভাবে বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও স্থানীয় বিএনপির ৩ জন স্বতন্ত্র হিসেবে ও আওয়ামীলীগের একজন মেয়র পদে ভোট প্রার্থনা করছেন। দিন-রাত তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। এ সুযোগে ভোটাররা প্রতিশ্রুতি আদায়ের চেষ্টা করছেন।

কাঞ্চন পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। অপরদিকে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কাঞ্চন পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ মো. মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, কাঞ্চন পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  ও বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। প্রত্যেক প্রার্থী নিজেকে সত্, নিষ্ঠাবান, যোগ্য, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থেকে সামাজিক উন্নয়ন করে চলেছেন দাবি করে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। বিয়েসহ পারিবারিক ও সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে মেয়র প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে হাট-বাজারে, চায়ের দোকানে আলোচনা আর জল্পনা-কল্পনা চলছে।

বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আর নির্বাচনে দলীয়ভাবে বিএনপির অংশ না নেওয়া এবং তাদের ৩  জনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নেওয়ায় দলটি রয়েছে বেকায়দায়। অপরদিকে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ছাড়া আর কেউ প্রার্থী না হওয়ায় আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন বলে দলটির নেতাকর্মীরা দাবি করছেন। স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল সহযোগী ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী মো. রফিকুল ইসলামের পক্ষে কাজ করে চলেছেন। কাঞ্চন পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম মাস্টার বলেন, দলের দুর্দিনে কাজ করার পাশাপাশি শিক্ষিত, সত্ মো. রফিকুল ইসলাম রফিককে ভোটাররা ভোট দিবেন বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য আগামীকাল ৩০ জুন প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২ জুলাই মনোনয়নপত্র বাছাই, ৯ জুলাই প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ২৫ জুলাই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কাঞ্চন পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৬৫ জন।