চলতি অক্টোবর মাসের শেষের দিকে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থন জোগাড় করতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে দল দু’টি। এদিকে এই রাজনৈতিক সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বেশকিছু কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচিগুলো নিম্নরূপ-
১৪ অক্টোবর: বিএনপি সমর্থকদের দেশব্যাপী অনশন। অন্যদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আওয়ামী লীগ জনসভা করবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ দেবেন।
১৫ অক্টোবর: চট্টগ্রামের দারুল ফজল মার্কেট মসজিদ এলাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
১৬ অক্টোবর: ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যুব সমাবেশ করবে বিএনপি। অন্যদিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় প্রধান কার্যালয়ের কাছে যুব সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ।
১৮ অক্টোবর: ঢাকার বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করবে বিএনপি।
২০ অক্টোবর: ঢাকার তেজগাঁও এলাকা থেকে মিছিল করবে আওয়ামী লীগ।
২৩ অক্টোবর: মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত উদ্বোধন উপলক্ষে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ।
২৫ অক্টোবর: ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের পদযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
২৮ অক্টোবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রামে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ জনসভায় যোগ দেবেন।
২৯ অক্টোবর: মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধনকালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় জনসমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
৩১ অক্টোবর: ঢাকার উত্তরায় আওয়ামী লীগের মিছিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। এছড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের কাছে অবস্থান বিক্ষোভ ও অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।
আসন্ন সপ্তাহগুলোতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল যেমন বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামীর আরও বেশি করে জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ধরনের সমাবেশের সময় বিনা নোটিশে পাল্টা বিক্ষোভ ঘটার সম্ভাবনা থাকে।
এর মধ্যে যেসব জায়গায় রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকতে পারে সেগুলো হলো—রাজনৈতিক দলের কার্যালয়, থানা, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, জাদুঘর, পাবলিক স্কোয়ার, খেলার মাঠ, মসজিদ, প্রেসক্লাব ও হাইওয়ে। তবে স্থানীয় ও মূল রাজনৈতিক দলের ইচ্ছা বা সুবিধা অনুযায়ী কর্মসূচির স্থান পরিবর্তিত হতে পারে। সাংগঠনিক সমস্যা অথবা আইন প্রয়োগকারী বিধিনিষেধের কারণে রাজনৈতিক সংগঠকরা সংক্ষিপ্ত নোটিশে পূর্ব পরিকল্পিত কোনো কর্মসূচি বাতিল বা পিছিয়ে দিতে পারে।
