নৌকা চান ব্যারিস্টার সুব্রত, এমপি হলে করবেন ১০ সমস্যার সমাধান

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৩, ২২:৪৭

গুরুদাসপুর বড়াইগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সমস্যা আছে। অতীত বর্তমানের কোনো সংসদ সদস্য এসব সমস্যার সমাধান করেননি। চিহিৃত এসব সমস্যার সমাধান করা হলে উন্নয়নের সঙ্গে অগ্রযাত্রার মাত্রাও তরান্বিত হবে। তাই তিনি নৌকা চাইছেন। তাকে নৌকা দেওয়া হলে আয়বর্ধক স্মার্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন।

এই প্রার্থী ব্যারিস্টার সুব্রত কুমার কুণ্ডু। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংদস সদস্য প্রার্থী হতে চান আওয়ামী লীগের এই নেতা। সুব্রত কুমার পেশায় সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী। শনিবার গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজারস্ত একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করেন ব্যারিষ্টার সুব্রত।

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার সুব্রত বলেন, কৃষি নির্ভর গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামের ভূমি। কৃষি যেমন সমৃদ্ধ তেমনি উপজেলা দুটি দেশের সর্ববৃহৎ চলনবিলের প্রাণ কেন্দ্র হওয়ায় মৎস্য এবং পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। এজন্য প্রয়োজন সময়পোযোগী স্মার্ট পরিকল্পনা।

তার পরিকল্পনা মতে, ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনায় এনে ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড় ধরণের শিল্প কারখানা তৈরি করা। একইসঙ্গে বড়াল, নন্দকুঁজা, আত্রাই, গুমানীর মতো নদীগুলোকে সচল করে নৌবন্দর গড়ে তোলা। তাছাড়া স্মার্ট কৃষি ব্যবস্থার জন্য স্মার্ট বিপনন ব্যবস্থা এবং গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষার জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার মতো প্রকল্প তিনি বাস্তবায়ন করতে চান।
 
ব্যারিস্টার সুব্রত মনে করেন, নৌকা প্রতীকে তিনি নির্বাচিত হলে গ্রামে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া, উপযুক্ত ক্রীড়া ব্যবস্থা চালু, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযোগ বাক্স স্থাপনের মাধ্যমে তিনি আওয়ামী লীগের সব নেতা-কর্মীকে একসঙ্গে নিয়ে আয় বর্ধক এসব প্রকল্পগুলো বাস্তয়ন করতে পারবেন।

ব্যারিস্টার জন্ম এবং বেড়ে উঠা গুরুদাসপুর উপজেলার হামলাইকোল গ্রামের আভিজাত্যপূর্ণ আওয়ামী লীগ পরিবারে। ব্যারিস্টার সুব্রত কুমার কুণ্ডুর লক্ষীকান্ত কুণ্ডুর ছেলে। তারা দুই ভাই উচ্চ শিক্ষিত। পেশাগত কারণে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করলেও এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে রয়েছে গভীর সম্পর্ক।

ব্যারিস্টার সুব্রত কুমার কুণ্ডুর শিক্ষা জীবন বর্ণাঢ্য। তিনি গুরুদাসপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স এবং এলএলএম ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরে ইংল্যান্ডের নর্দামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স, সিটি ইউনিভার্সিটি (লন্ডন) থেকে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স সম্পন্ন করে ইংল্যান্ডের লিংকন্স ইন থেকে ব্যারিস্টার-এট-ল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। উচ্চ শিক্ষা শেষ করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে মানুষকে সেবা দিচ্ছেন।

ছাত্র রাজনীতি: তিনি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কর্তৃক মনোনীত হয়ে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আইনবিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক এমপ্লয়মেন্ট সেক্রেটারি, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, যুক্তরাজ্য শাখা, প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি, আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয় শাখার সাবেক সক্রিয় কর্মী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই নেতা।
 
রাজনীতি ও আইন পেশার দক্ষ সুব্রত কুমার কুণ্ডু ইত্তেফাককে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু রেল সেতু, উড়ালসড়ক, পরমানু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে। সেইসঙ্গে দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটেছে ব্যাপক আকারে।

মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার সুব্রত কুণ্ডু বলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা বিকশিত হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তিতে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগী হিসেবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার প্রবল অভিপ্রায় থেকেই নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের নানামূখী প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের করতে চাই।

ইত্তেফাক/পিও