কুমেকে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশে সুরাহা

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৩, ২২:০৯

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) দুই চিকিৎসক ও নার্স-কর্মচারীদের হাতে যমুনা টেলিভিশনের দুই সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন ও কামরুল হাসান লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার সুরাহা হয়েছে। 

শনিবার (২১ অক্টোবর) কুমেক হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে কুমিল্লা প্রেসক্লাব সভাপতি মো. লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে হাসপাতালের পরিচালকের এক বৈঠকে ঘটনাটির সুরাহা হয়। 

বৈঠকে কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেন। এ ঘটনার জন্য দুই জন চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। এখানে ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে এর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে কুমেক হাসপাতাল পরিচালক সাংবাদিক নেতারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ জানান। 

বৈঠকে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম দুলাল, মীর শাহ আলম, সাদিক হোসেন মামুন, হুমায়ুন কবির রনি, সেলিম রেজা মুন্সী, দিলীপ মজুমদার, জাহিদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন জাকির ও টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নেতারা। এ সময় লাঞ্ছনার শিকার যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন ও ভিডিও জার্নালিস্ট কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বুধবার (১৮ অক্টোবর) যমুনা টেলিভিশনের ঐ দুই সাংবাদিক কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহকর্ত্রীর হাতে নির্যাতনের শিকার এক এতিম শিশু গৃহকর্মীর বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহে গেলে ‘অনুমতি ছাড়া ভিডিও করা যাবে না’ এমন অজুহাতে আবাসিক চিকিৎসক ডা. আবু জাফর মো. সালেহী ও ডা. আবুল হাসানসহ নার্স-কর্মচারীরা তাদেরকে লাঞ্ছিত করেন। 

এ বিষয়ে ১৯ অক্টোবর দৈনিক ইত্তেফাকের শেষের পাতায় ‘শিশু গৃহকর্মী সুমির সারা গায়ে নির্যাতনের চিহ্ন, গৃহকর্ত্রী গ্রেপ্তার, খবর সংগ্রহে গিয়ে চিকিৎসকের হাতে লাঞ্ছিত সাংবাদিক’- শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।

ইত্তেফাক/পিও