মার্কিন ফাইটার জেট শুক্রবার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের সঙ্গে যুক্ত পূর্ব সিরিয়ার দুটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে। গত সপ্তাহের শুরুতে এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি এবং কর্মীদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে পেন্টাগন জানিয়েছে। খবর এপির।
হামলাটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বাইডেন প্রশাসনের সংকল্পকে প্রতিফলিত করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভবিষ্যৎ আগ্রাসন ঠেকাতে ইরান-সমর্থিত যে গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরলস হামলা করতে চায় তাদের বিরুদ্ধেই হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত ওয়াশিংটন। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ এক্ষেত্রে ইন্ধন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া বৃহত্তর সংঘাতকে উস্কে দেওয়ার জন্য গোষ্ঠীগুলো কাজ করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ।
একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার মতে, বোকামালের কাছে দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছিল এবং তারা আইআরজিসি-র সঙ্গে জড়িত অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, ঘাঁটিতে ইরান-সংযুক্ত মিলিশিয়া এবং আইআরজিসি কর্মীরা ছিল। এখানে কোনও বেসামরিক লোক ছিল না, তবে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও কোনও তথ্য নেই। এফ-১৬ বিমান দিয়ে কতগুলো যুদ্ধাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল তা এই কর্মকর্তা বলতে পারেননি।
একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, লক্ষ্যবস্তুগুলো বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ আইআরজিসি সেখানে মার্কিন ঘাঁটি এবং সেনাদের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র সংরক্ষণ করে। এই দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামলার পর সাংবাদিকদের বলেন, মিশনটি এখনো বিস্তারিত আকারে প্রকাশ করা হয়নি।
