সংসদে শ্রম আইন সংশোধী বিল, ২০২৩ পাশ করানোর প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল আইবিসি। একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্রম আইন সংশোধনী বিল, ২০২৩ পাশ করানোর প্রক্রিয়া অগণতান্ত্রিক, শ্রম আইন ও আইএলও কনভেনশনের পরিপন্থি।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক লিখিত বিবৃতিতে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইবিসির সভাপতি আমিরুল হক আমিন, কেন্দ্রীয় নেতা বাবুল আকতার, নুরুল ইসলাম, জেড এম কামরুল আনাম, রুহুল আমিন, তৌহিদুর রহমান, সালাউদ্দিন স্বপন, মীর আবুল কালাম আজাদ রতন, রাশেদুল আলম রাজু, সহিদুল্লাহ বাদল, মিস চায়না রহমান, কামরুল হাসান, কাউসারুন নবী রুবেল, খাদিজা রহমান উক্ত যুক্ত বিবৃতি দেন।
নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, শ্রম আইনের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন ও বিয়োজন করার সর্বোচ্চ ফোরাম হচ্ছে টিসিসি (ত্রিপক্ষীয় পরামর্শক সভা), যা সরকার, মালিক ও শ্রমিকের সমসংখ্যক সদস্য নিয়ে গঠিত। আইএলও কনভেনশন এবং বাংলাদেশ শ্রম আইনেও টিসিসিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ প্রতিমন্ত্রী সেই টিসিসিকে সম্পূর্ণভাবে পাশ কাটিয়ে এমনকি সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত শ্রম আইন সংশোধনী সাবকমিটির (৯ সদস্যবিশিষ্ট) মধ্যে আলোচনা শেষ না করেই মন্ত্রিপরিষদ সভায় উত্থাপন করে সেখানে পাশ করালেন।
নেতৃবৃন্দ সমালোচনার পাশাপাশি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রতিমন্ত্রীর এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ আইএলও, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশ সরকারকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিতে পারে। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগণতান্ত্রিক কাজের দায়ভারও প্রতিমন্ত্রীকেই বহন করতে হবে, বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন এর কোনো দায়ভার বহন করবে না।
