সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়ার কবরসহ নকশা বহির্ভূত স্থাপনা সরাতে হবে

আপডেট : ৩০ জুন ২০১৯, ০০:২১

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরসহ জাতীয় সংসদ ভবনের ‘মূল নকশার বাইরে’ যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো অপসারণের অনুরোধ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর গতকাল শনিবার সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই অনুরোধ জানান।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদ চত্বরে মূল নকশার বাইরে জিয়ার কবরসহ যেসব স্থাপনা হয়েছে, এখানে আরো কিছু কবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অপসারণের অনুরোধ করছি। তিনি বলেন, শোষিতদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) গঠন করেছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়া ও তার তাঁবেদাররা সবাই মিলে বাকশালকে গালিতে পরিণত করেছিল। বস্তুত বাকশালের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলকে বন্ধ করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করে জাতীয় দল গঠন করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগকেও তখন স্থগিত করা হয়ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের সময় দায়িত্ব পালন ও অভিজ্ঞতা ১০ থেকে ২০ মিনিট রেকর্ড করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো আমরা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবো।

৩১০৭ ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার’ সনদ বাতিল

এদিকে, গতকাল সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী সংসদকে জানান, এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০৭ জন ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার’ গেজেট ও সনদ বাতিল করা হয়েছে। গত ১০ বছরে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৮৮ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেটভুক্তির জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।