বোরোধান চাষাবাদের বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত শাল্লার কৃষকরা

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৩, ২২:১৭

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বোরোধান চাষাবাদের প্রস্তুতি হিসেবে বীজতলা তৈরিতে কাজ করছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের বছরের একমাত্র ফসল বোরোধান উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষকরা দলবেঁধে বীজতলা তৈরির পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।

বাহাড়া ইউনিয়নের সীতেশ তালুকদার বলেন, এইবার সঠিক সময়ে হাওড় থেকে পানি নিষ্কাশন হওয়ায় নির্বিঘ্নে বোরোধান চাষের জন্য বীজতলা তৈরির কাজ করছি। সৃষ্টিকর্তার মহিমায় আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে আমাদের এলাকার কৃষকদের একমাত্র বোরো ফসল গোলায় তুলবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলার ২১,৭১৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ৯৫৭ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শাল্লা ইউনিয়নের সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন বীজধানের জায়গা রেডি করতে কৃষকরা দিনভর কাজ করছে। আশাকরি ২০-২৫ দিন পরেই বোরোজমিতে বীজ (জালা) রোপনের উপযোগী হবে।

আটগাঁও ইউনিয়নের হিরন মিয়া বলেন, আমরা এখন বীজধান ক্রয় করছি। ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করে সার ছিটিয়ে বীজতলার (জালা ক্ষেত) কাজ প্রায় কমপ্লিট। হাওড়ের অন্যান্য কৃষকরাও বীজতলা তৈরির কাজে সময় দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সরেজমিনে শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা বোরো ধান চাষের লক্ষ্যে লাঙ্গল ও অন্যান্য পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন।

হবিবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রউফ বলেন, আল্লাহর নাম নিয়ে বীজতলা (জালা ক্ষেত) রেডি করতাছি। মোটামুটি বীজধান কেনাও শেষ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলার প্রতিটি এলাকায় বীজতলা তৈরি এবং বোরোধান চাষের জমিগুলো তৈরির কাজ চলছে। বীজতলার গাছ যাতে সুন্দর ও সুস্থ হয় এইজন্য আমাদের কৃষি বিভাগ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ প্রত্যক্ষভাবে মাঠে কাজ করছে।

ইত্তেফাক/পিও