বঙ্গোপসাগরের দুবলারচরে একমাত্র মোবাইল কোম্পানি টেলিটকের নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনায় পড়েছেন জেলে মৎস্যজীবীরা। নেটওয়ার্ক স্পিড খুবই কম হওয়ায় ভয়েস কলসহ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না তারা। মোবাইল টাওয়ারের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ মোবাইল ব্যবহার করায় নেটওয়ার্কের এমন বিড়ম্বনা বলে টেলিটক কতৃপক্ষ জানিয়েছেন।
দুবলারচর অঞ্চলে বসানো একমাত্র মোবাইল কোম্পানি টেলিটকের টাওয়ারের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে হাজার হাজার ফিশিংবোটের জেলে মৎস্যজীবীরা তাদের প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করে থাকেন।
দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুবলারচরে থাকা একমাত্র মোবাইল কোম্পানি টেলিটকের নেটওয়ার্ক বিড়ম্বনায় পড়েছেন জেলে মৎস্যজীবী ও বনরক্ষীরা। আলোরকোলে বসানো টেলিটকের টাওয়ারের নেটওয়ার্ক ম্পিড খুবই কম। ভয়েস কলে কোনো রকমে কথা বলতে পারলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
আলোরকোল ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার দিলীপ মজুমদার বলেন, টেলিটকের স্পিড এতোটাই দুর্বল যে কারণে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছি না।
মোবাইল কোম্পানি টেলিটকের খুলনা বিভাগীয় অপারেশন ইনচার্জ মো. হুমায়ূন কবির বলেন, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বর্তমানে দুবলারচর অঞ্চলে ১০/১৫ হাজার জেলে মৎস্যজীবী অবস্থান করায় টাওয়ারের ধারণ ক্ষমতা কমে নেটওয়ার্কে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আলোরকোলে আরও একটি টাওয়ার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও সুন্দরবন বিভাগের অনুমতি পাওয়া যায়নি।
বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো বলেন, টেলিটকের টাওয়ার বসানোর কোনো আবেদনের কথা তার জানা নেই। আবেদন পেলে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে বলে তিনি জানান।
