বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’-তে রূপ নিয়েছে। তাই সমুদ্র বন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি দেশের ১১ জেলার ওপর দিয়ে যেতে পারে।’ যদিও এটি সাধারণ বা দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১১টি জেলায় ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব জেলা হলো- সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম।
তিনি আরও বলেন, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ৬৪ কিলোমিটার থেকে ৮৮ কিলোমিটার। এটি সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার গতিতে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এটি এখন মোংলা ও পায়রা বন্দর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এর এগিয়ে যাওয়ার গতি বিশ্লেষণ করলে বলা যেতে পারে, ঘূর্ণিঝড় হিসেবে এটি আগামীকাল দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘মোংলা ও খেপুপাড়া দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড়টি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর ও নামিয়ে তার বদলে ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

