ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৩, ১৭:৩২

কেক কাটা, আনন্দ শোভাযাত্রা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীলতায় বিশ্বাসী সাংবাদিক সংগঠন রিপোর্টার্স ইউনিটি'র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (১৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে অবস্থিত সংগঠনটির কার্যালয় থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পরবর্তীতে, রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে এসে কেকে কাটা হয় এবং পাঁচটি ফলজ বৃক্ষ রোপণ করা হয়।

পরে আলোচনা সভায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রাকিবের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক তাসনিমুল হাসান প্রান্ত। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শেলীনা নাসরীন, টিএসসিসির পরিচালক প্রফেসর ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ. এম আলী হাসান, তরুণ লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এসএএইচ ওয়ালিউল্লাহ, ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিরুল সৌরভ প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার রিমন, কোষাধ্যক্ষ শাহীন আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারহানা তিতলী। এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য আওন, যায়ীদ, ইমন ও মংক্যচিংসহ আরও অনেকে।

এসময় প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, আমরা চাই ইবিতে প্রগতিশীলতার প্রতিফলন ঘটুক। আপনাদের জন্য আমার দরজা সবসময় উন্মুক্ত। প্রক্টর হিসেবে একটাই প্রত্যাশা যেটা সত্য ও সুন্দর সেটাই তুলে ধরবেন।  

ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শেলীনা নাসরিন বলেন, বিগত বছরগুলোতে আপনাদের কার্যক্রম সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে। আপনারা যেমন নেতিবাচক দিকটি সমাধানের লক্ষ্যে তুলে ধরবেন তেমনি ক্যাম্পাসের ইতিবাচক বিষয়গুলোও তুলে ধরে সবাইকে অনুপ্রাণিত করবেন। 

টিএসসিসির পরিচালক প্রফেসর ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল বলেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির লেখালিখি, সংবাদ পরিবেশনা এবং সত্যতার বিষয়াবলি সহ সবকিছুই আমার খুবই ভালো লাগে। আমি প্রত্যাশা করি এই সংগঠনটি চলমান প্রগতিশীলতা, ধর্মনিরপেক্ষতাকে সমন্বয় করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন।

এসময় সংগঠনটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রাকিব বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত সাংবাদিকতার উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে রিপোর্টার্স ইউনিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতাকে সার্বজনীন করতে যোগ্যতা এবং ইচ্ছে শক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছে সবসময়। রিপোর্টার্স ইউনিটি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। সুযোগ দিয়েছে আদিবাসী শিক্ষার্থীদেরও। যেটা ইবিতে আগে ছিল না। প্রগতিশীলতার এ ধারা অদূর ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করছি।

ইত্তেফাক/এআই