বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

ইবিতে পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন, বিভাগে তালা

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৩, ১৭:১৬

পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 

শনিবার (২৫ নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে এ আন্দোলন শুরু করেন বিভাগটির চতুর্থ বর্ষের (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বিভাগে তালা ঝুলিয়ে দেন।

পরে তারা বিভাগের করিডোরে পরীক্ষার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে তারা আন্দোলন করেন। এসময় তাদের সাথে বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে, পরীক্ষা নিন না হলে বিষ দিন, পরীক্ষা নিতে অনীহা কেন? জবাব চাই, শিক্ষকদের অন্তঃকোন্দলে শিক্ষার্থী কেন? কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কেন? প্রভৃতি লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড দেখা যায়। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দেড় থেকে দুই মাস আগে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষ ২য় সেমিস্টারের ক্লাস শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাদের শেষ সেমিস্টারের পরীক্ষা আটকে আছে। বারবার বিভাগের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেও তারা সমাধান পাননি। পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের ১ম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় একটি নন-ক্রেডিট কোর্সে ৭-৮ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। কিন্তু সেসময় তাদের এ ব্যাপারে বিভাগ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। এদিকে নন-ক্রেডিট কোর্সে অকৃতকার্য থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাদের চূড়ান্ত রেজাল্ট আসবে না। 

তাই শিক্ষার্থীদের দাবি- আগামী ২৮ নভেম্বরের মধ্যে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের যেনো নন-ক্রেডিট কোর্সের পরীক্ষা পুনরায় নেয়া হয়। একই সঙ্গে চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষাও এ মাসে শুরু করে আসন্ন শীতের ছুটির আগে শেষ করা। এছাড়া, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ এবং পরীক্ষার মার্কসিট প্রদান করা।

এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টা আমরা দেখছি। আগামীকাল প্রশাসনের সাথে বসে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির বিষয়ে সিন্ধান্ত নেয়া হবে। আপাতত তাদের এইটুকুই আশ্বাস দিতে পারছি। 

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন তা একাডেমিক। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। বিভাগের সভাপতি আমাদের কাছে সময় চেয়েছেন। আগামীকাল বসে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

ইত্তেফাক/এআই