মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

সবজিতে ফিরেছে কিছুটা স্বস্তি, চিনির বাজার অস্থিতিশীল

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:৩২

নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে দীর্ঘদিন ধরেই হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন সময় নানা পণ্যের দাম কিছুটা ওঠানামা করলেও বাজার ছুটছে ঊর্ধ্বমুখী। তবে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে শীতকালীন সবজি ও চাষের মাছের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা কমে এসেছে। এছাড়া কিছু চাষের মাছের দাম কমেছে। তবে আগের মতোই উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে চিনি, চাল, আটা ও ডাল।

চালের বাজার। ছবি: ফোকাস বাংলা

২৮ চালের কেজি ৫২ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, মিনিকেট চালের দাম কিছুদিন আগে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে, বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। পাইজাম চালের কেজি ৫৫ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা। নাজিরশালের কেজি ৬৮ টাকা, যা আগে বিক্রি হত ৬৫ টাকায়। তবে ভালো মানের নাজিরশাল চালের কেজি এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়, যা আগে কেজি ছিল ৭০ টাকা।

দীর্ঘ সময় ধরে চিনির বাজার অস্থিতিশীল। বাজারে চিনির দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা কেজি। কিন্তু অনেক স্থানীয় দোকানে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা।

সবজির মধ্যে প্রতি কেজি আলু ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা, যা গত সপ্তাহেও ১৪০ টাকা ছিল। প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৪০-৫০ টাকা, স্থানভেদে কিছুটা কম-বেশিও বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজার। ছবি: ফোকাস বাংলা

লাউ-কুমড়া আকার অনুযায়ী পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা। করলা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০-৭০ টাকা, বিভিন্ন জাতের বেগুন ৪০ থেকে ৮০ টাকা, মূলা ৩০-৫০ টাকা, পটল ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, ঝিঙা ৫০-৬০, কচুর লতি ৬০-৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। স্থানভেদে লাল শাকের আঁটি ২০-৩০ টাকা, লাউ শাক ২০-৩০ টাকা, মূলা শাক ২০-২৫ টাকা, পালং শাক ২০-৩০ টাকা, কলমি শাক ১৫-২০ টাকা আঁটি বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সম্প্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ছাড়িয়েছিল। স্থানভেদে ফার্মের মুরগী কিছু কম-বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি জাতের মুরগির কেজি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। দেশি মুরগি কিনতে কেজিতে খরচ হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। এছাড়া গরুর মাংস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ১০৫০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাছের বাজার। ছবি: ফোকাস বাংলা

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে চাষের মাছের দাম কিছুটা কমেছে। স্থানভেদে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। অনেকটা একই দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের কই ও তেলাপিয়া। আকারভেদে রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি। এছাড়া স্থানভেদে শোল মাছ প্রতি কেজি ৫০০-৬৫০ টাকা এবং শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ৫০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০, মলা ৫০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০, কাচকি মাছ ৬০০, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০, রুপচাঁদা ১ হাজার ও বাইম মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ইত্তেফাক/এসকে