‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ’

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:০৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) একটি টুল হিসেবে দেখতে হবে, যেটা মানুষের চিন্তাকে আরো প্রসারিত করবে এবং সময় সাশ্রয় করবে। সেই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ আয়োজিত 'এআই ইন ফিল্ম অ্যান্ড অ্যানিমেশন: এ প্রফেশনালস গাইড' শীর্ষক জেম্যাস সেমিনার সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে এ কথা জানান বক্তারা।

এআইইউবির মিডিয়া ও ম্যাস কমিউনিকেশন (এমএমসি) বিভাগ আয়োজিত ওয়েবিনারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কীভাবে সিনেমা ও অ্যানিমেশন ইন্ডাস্ট্রি বদলে দিচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। এতে আলোচক ছিলেন ফিলিপাইনভিত্তিক এবিএস-সিবিএন ফিল্ম প্রোডাকশনস ইনকর্পোরেশন-এর টেকনিক্যাল সার্ভিসেস, ট্রেইনিং এন্ড রিসার্চ প্রধান জোসেফ ডেসমন্ড ক্রুয়েল এবং ফিলিপাইনভিত্তিক আর্ট ডিরেক্টর ও অ্যানিমেশন ডিজাইনার হেনড্রিক গঞ্জালেস।

1

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মো. আব্দুর রহমান বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এআই যে একটা বড় পরিবর্তন আনছে, তা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি মনে করেন, এআই মানুষকে চাকরির বাজার থেকে সরিয়ে দেবে না বরং বিশ্বকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। এমএমসি বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া এ আশাবাদের পক্ষে মতামত দিয়ে হিউম্যান-এআই'র পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর জোর দেন।

ফিল্ম এবং অ্যানিমেশনে যে ধরনের এআই টুল ব্যবহৃত হয় এবং যে ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়, সে বিষয়ে আলোকপাত করেন জোসেফ ডেসমন্ড ক্রুয়েল। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ভবিষ্যৎ কাজের ধরন এবং দায়িত্ব কেমন হবে, তা নিয়েও তথ্য তুলে ধরেন তিনি। বলেন, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি করবে।

ইত্তেফাক/এসকে