ফরিদপুর-৪

আচরণবিধি লঙ্ঘনে শোকজ, জবাব না দিয়ে সময় চাইলেন আওয়ামী লী‌গের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী জাফর উল্যাহ

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০০:৩৭

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্ধারিত দিনে শোকজের জবাব দেননি ফরিদপুর-৪ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী জাফর উল্যাহ। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। 

তবে কাজী জাফর উল্যাহ সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটির কাছে সময় চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ২ নম্বর আদালতের পেশকার মো. শওকত মিয়া।

এর আগে বুধবার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে কাজী জাফর উল্যাহকে শোকজ নোটিশ পাঠান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী। ওই নোটিশে তাকে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার মধ্যে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি আসেননি।
  
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার মো. শওকত মিয়া জানান, কাজী জাফর উল্যাহ শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য আগামী শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় চেয়েছেন। আজ দুপুরে তার প্রতিনিধি হিসেবে আকরামুজ্জামান রাজা নামে একজন আদালতে এসে দরখাস্তের মাধ্যমে সময় চান। আকরামুজ্জামান রাজা ওই আসনের ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কাজী জাফর উল্যাহর অনুসারী।
 
তিনি জানা, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজী জাফর উল্যাহ সাহেবের জরুরি বৈঠক থাকায় আসতে পারেননি। তার প্রতিনিধি হিসেবে আমি আদালতে হাজির হয়ে সময় চেয়েছি। কতদিন সময় চেয়েছি সেটা বলা যাবে না, টেকনিক্যাল কারণ আছে।

উল্লেখ্য, কাজী জাফর উল্যাহর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করেন ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। প্রাথমিক তদন্তে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পরে কাজী জাফর উল্ল্যাহকে শোকজ নোটিশ পাঠায় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। ওই নোটিশে বলা হয়, নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ১১ (ক) এবং বিধি ৬ (খ) ও ৬ (গ) লঙ্ঘন করেছেন কাজী জাফর উল্যাহ।

ইত্তেফাক/পিও