বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

ভারতের বিধানসভায় নতুন বিল পাস

গণপিটুনির সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড!

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:৩৮

ভারতের লোকসভায় নতুন বিল পাস করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার গণপিটুনির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। হিন্দুস্তান টাইম্‌সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

গত বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিরোধী শূন্য লোকসভায় তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন অমিত শাহ। সংশোধনীয় আইনগুলো হচ্ছে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩’, ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য ২০২৩’। এর ফলে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চালু হতে চলেছে। 

লোকসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বনিম্ন সাত বছর থেকে মৃত্যুদণ্ডের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হতে পারে। তবে তিনি এটাও বলেন, দেশদ্রোহের বিচার ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারেই হবে। এর জন্য আলাদা আইনের প্রয়োজন নেই।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, মোদী সরকারের লক্ষ্য ইংরেজ আমলের পুরনো নিয়মকে শেষ করা। রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল করা হবে। এই আইনে ইংরেজরা মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেলদের বন্দি করেছিল। এখন আর ভারতে এই আইনের দরকার নেই। তিনি আরও বলেন, ‘মোদী সরকার যা বলে তা করে দেখায়। আমরা বলেছিলাম, আতঙ্কবাদীকে বরদাস্ত নয়। ৩৭০ ধারা তুলে ফেলেছি। সংসদে মহিলাদের ৪৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ দিয়েছি। আমরা তিন তালাক নিষিদ্ধ করেছি। আর কেউ দেশের ক্ষতি করতে চাইলে তাকে বরদাস্ত করা হবে না। তাই আগের তুলনায় আইন আরও কঠোর হচ্ছে।’

ভারতে কিছুদিন ধরে গণপিটুনিতে প্রচুর মানুষ মারা গেছেন। গরু পাচারকারী বা ছেলেধরা সন্দেহে অনেক জায়গায় গণপিটুনিতে প্রচুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সংশোধনীই আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইন যাতে কেউ নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিলগুলি ধ্বনিভোটে পাস হয়েছে। রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলেই তা আইনে পরিণত হবে।

এছাড়া, দেশদ্রোহ আইনের প্রয়োগ নিয়েও সাম্প্রতিককালে প্রচুর বিতর্ক হয়েছে দেশটিতে। 

ইত্তেফাক/এমটি