মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে দালালমুক্ত ও রাজস্ব বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৩, ২২:০৩

মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে দালালমুক্ত ও রাজস্ব বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়ায় প্রসংসনীয় বর্তমান সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। এতে করে অনিয়ম ও দুর্নীতি মুক্ত হয়েছে অফিস। বেড়েছে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ। পাশাপাশি স্বস্তি ফিরেছে জনমনে। মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালাল ও ভোগান্তি ছাড়া সকল রকম সেবা প্রত্যাশীদের সেবা নিশ্চিত করতে সর্বত্র অফিস এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

সরেজমিনে পাসপোর্ট অফিস ঘুরে দেখা যায়, পাসপোর্ট ভবনের সামনে বড় পরিসরে সেবাপ্রার্থীদের জন্য ঝোলানো রয়েছে সকল তথ্য সম্বলিত সিটিজেন চার্টার। পাসপোর্ট করতে এসে কোন ধরনের ভোগান্তি না পড়েন সে জন্য সার্বক্ষণিক খোলা রয়েছে হেল্প ডেক্স। এছাড়াও প্রতিদিন নানা ধরনের সমস্যা নিয়ে সহকারী পরিচালকের কক্ষে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় শতাধিক সেবাপ্রার্থী সেবা নিচ্ছেন। ফলে এখানে পাসপোর্ট করতে এসে কেউ আর বিরক্তি নিয়ে ফিরে যান না বলে জানিয়েছেন সেবাপ্রার্থীরা। বীর  মুক্তিযোদ্ধা, নারী,  শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে দ্রুত সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা। 

মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে আসা একাধিক ব্যাক্তি জানান, ফরম জমা দিতে অথবা পাসপোর্ট গ্রহণ করতে লাইনে দাঁড়িয়ে কোন প্রকার হয়রানি নেই বললেই চলে, পাসপোর্ট অফিসের কঠোর নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছ ভাবে নারী-পুরুষ কোন হয়রানি ছাড়াই পাসপোর্ট সেবা গ্রহণ করতে পারছি। এতে আমরা খুশি। অন্য একজন জানান, অনলাইনে ফরম পূরণ করে সঠিক সময়েরে মধ্যে পাসর্পোট নিতে এসেছি। 

মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, আমি মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যোগদানের পর থেকে পাসপোর্ট অফিসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে, দালালমুক্ত রাখতে এবং রাজস্ব বাড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আবেদনকারীদের সমস্যা লাঘবে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছতা জবাবদহিতিার মধ্যে নিয়ে এসেছি। পাসপোর্ট সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যার সমাধান ও তথ্য আদান প্রদানের জন্য সরাসরি কথা বলার সুবিধা পাচ্ছে সেবা প্রত্যাশি মানুষ। বিদেশ থেকে দিনে রাতে প্রবাসিরা সেবা/তথ্য গ্রহনের জন্য ফোন করলে তাদের সেবা দিচ্ছি। সেবা প্রত্যাশিদের সেবা নিশ্চিত করতে সর্বত্র অফিস এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসিয়েছি।এছাড়াও অফিসের ফোন ও ইমেইলের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। বিপক্ষে পুলিশ প্রতিবেদন এবং পুরাতন পাসপোর্ট গোপন জনিত সমস্যা ছাড়া পাসপোর্ট পেতে বিলম্ব হয়না। সুপার এক্সপ্রেস সার্ভিসের মাধ্যমে দুই কর্মদিবসের মধ্যেও মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/পিও