‘ফুরাবে না বইয়ের আবেদন’

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ২২:২৫

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমকে স্থায়ীরূপ

দেওয়া হবে :সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায়ে বইপড়া আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমকে স্থায়ীরূপ দিতে চায় সরকার। ‘দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্প’ এর মাধ্যমে সরকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এরপরেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে বইপড়া আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে কাজ শুরু হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্প’ এর অধীনে ৩০টি নতুন ভ্রাম্যমাণ গাড়ি-লাইব্রেরি সংযোজন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জাহানারা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ও ‘দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি প্রকল্প‘ এর প্রকল্প পরিচালক এস এম কামরুজ্জামান। আরো উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহবুব জামিল ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, কাগজ থেকে ডিজিটাল বইয়ের দিকে আমরা যাচ্ছি। তারপরও বইয়ের আবেদন থাকবে। এটা ফুরিয়ে যাবে না। শোনা যাচ্ছে, শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ডিজিটাল বই করা যাবে না, তার মানে ৫০ ভাগ হলেও কাগজের বই থাকবে। আমাদের বাংলাদেশের রয়েছে বিশাল জনসংখ্যা। এ জনসংখ্যাকে বইয়ের মাধ্যমে আলোকিত করা গেলে তা আমাদের জন্য বিরাট সম্পদ ও শক্তিতে পরিণত হবে।