কুমিল্লার চান্দিনায় নৌকা ও ঈগল প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নৌকার ৯ এবং ঈগল প্রতীকের ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি ৫টি অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর চান্দিনা পৌরসভার ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এবং বরকইট ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুর গ্রামে পৃথক এসব সংঘর্ষ হয়।
আহতরা হলেন- নৌকা সমর্থিত সুমন মিয়া, শাহজাহান, বিল্লাল হোসেন, রাসেল রানা, মো. সোহাগ, মো. জামাল, মো. রনি, সুমন ও কামাল। ঈগল সমর্থিত- আব্দুল মবিন, সালেহ মাহমুদ ভূইয়া, রোমেল, জয় দত্ত, মোখলেছুর রহমান, রফিক ও জহির।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক উপহার দেওয়ার পর থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনতাকিম আশরাফ টিটুর সমর্থকরা বিরোধিতা করে আসছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আমরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড চান্দিয়ারা গ্রামে অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের সঙ্গে নৌকা প্রতীকের উঠান বৈঠক করছিলাম।
এ সময় আমাদের কাছে সংবাদ আসে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের নির্বাচনী অফিসে ঢুকে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে টিটু সমর্থিত নেতা-কর্মীরা। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে ২ নম্বর ওয়ার্ড হারং উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বর্তমান মেয়রের ছেলেরা আবারও হামলা করে। সেখানে উপস্থিত নৌকার কর্মীদের মারধর করে। এছাড়াও বরকইট ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুরে পিটিয়ে নৌকার ৯ কর্মীকে আহত করে। এ ঘটনায় আহতরা থানায় পৃথক দুইটি অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মুনতাকিম আশরাফ টিটু বলেন, নৌকা প্রতীকের লোকজন তার নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা ও এক কর্মীর গাড়ি ভাংচুর করেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় থানায় পৃথক ৩টি অভিযোগ করা হয়েছে।
চান্দিনা থানার ওসি আহাম্মদ সঞ্জুর মোরসেদ বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

