জয়ের জন্য বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই চাপ কাটিয়ে এখন লড়াইয়ে ফিরেছে ক্যারিবীয়রা। বিশেষ করে নিকোলাস পুরানের দুর্দান্ত ব্যাটিং আশা জাগাচ্ছে তাদের। ৪৩ ওভারের খেলা শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছয় উইকেটে ২৭১ রান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ১২ রানে ওপেনার সুনীল আমব্রিস সাজঘরে ফেরার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় দলটি। ৮৪ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুকতে থাকে তারা। শুরুতে আউট হওয়া চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন শিমরন হেটমায়ার (২৯) ও ক্রিস গেইল (৩৫)।
সেখান থেকে নিকোলাস পুরান দারুণভাবে খেলছেন। রয়েছেন সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে। যদিও অপরপ্রান্ত থেকে জেসন হোল্ডার ও ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ফিরে যান। এখন সপ্তম উইকেটে তার সঙ্গী ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। এর মধ্যেই জুটিতে তাদের অর্ধশত রান পূর্ণ হয়েছে।
সোমবার চেস্টার লি স্ট্রিটে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ব্যাট হাতে নেমে দিমুথ করুনারত্নে ও কুশাল পেরেরা ওপেনিং জুটিতেই ৯৩ রান করেন। এরপর কিছুটা ধীরগতিতে খেলা করুনারত্নে বিদায় নেন। জেসন হোল্ডারের বলে শাই হোপের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪৮ বল থেকে তিনি করেছেন ৩২ রান।
আরেক ওপেনার কুশাল পেরেরা ফিরেন রান আউট হয়ে। ৫১ বল থেকে ৬৪ রান করেন তিনি। এরপর দলীয় ১৮৯ রানে ফ্যাবিয়ান অ্যালেনের বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরেন কুশাল মেন্ডিস। তিনি করেন ৩৯ রান। দলীয় ২৪৭ রানে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস আউট হন ২৬ রান করে।
এরপর ফার্নান্দো ও লাহিরু থিরিমান্নে জুটি পঞ্চম উইকেটে তিন শ’ পার করেন। দলীয় ৩১৪ রানে ফার্নান্দো আউট হন। ১০৩ বল থেকে ৯টি চার ও দুটি ছক্কার মারে ১০৪ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া থিরিমান্নে ৩৩ বল থেকে ৪৫ রানের দ্রুতগতির ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। সেই সুবাদে শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে ৩৩৮ রানের বড় স্কোর গড়তে সক্ষম হয়।
এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার জন্য নিয়মরক্ষার। ইংল্যান্ডের কাছে রবিবার ভারতের হারে বিশ্বকাপ থেকে শ্রীলঙ্কার বিদায় হয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কা নিজেদের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ১০ পয়েন্ট অর্জন করলেও ইংলিশদের থেকে নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকতে হবে তাদের। ফলে বিশ্বকাপ থেকে হাথুরুসিংহের শিষ্যদেরও বিদায় নিশ্চিত।
ইত্তেফাক/কেআই
