স্ত্রী পরকীয়া করছে এমন সন্দেহে পাকিস্তানে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ৯ জনকে হত্যা করেছেন এক সৌদি প্রবাসী। নিহতদের মধ্যে তার স্ত্রী, দুই সন্তান, তিন শ্যালিকা, শ্যালিকাদের দুই সন্তান এবং শ্বাশুড়ি রয়েছেন। পাকিস্তানের পুলিশ এটাকে অনার কিলিং বা সম্মানজনক হত্যা হিসেবে দেখছে। রবিবার মুলতানে এই ঘটনা ঘটে। খবর গালফ নিউজের
পুলিশ জানিয়েছে, সৌদি প্রবাসী আজমল শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে প্রথমে ৫ জনকে গুলি করে হত্যা করেন। পরে বাড়িতে আগুন দিয়ে চারজনকে মারেন। এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আজমল কয়েকদিন আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন। তিনি সন্দেহ করেন যে, স্ত্রী কিরন তার সঙ্গে প্রতারণা করে অন্য কারো সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি বাবা এবং ভাইকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন আজমল। এক পর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়েন। এ সময় শ্বাশুড়ি এবং শ্যালিকারা তাকে (কিরন) বাঁচাতে আসলে তাদের ওপরও হামলা চালান আজমল। এতে ঘটনাস্থলে স্ত্রী, শ্বাশুড়ি এবং দুই শ্যালিকা নিহত হন। এরপর আজমলের বাবা ও ভাই ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে ঘরে অবস্থান করা তার দুই সন্তান এবং অন্য দুই নারী নিহত হন। গুলিতে আহত একজন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ। মুলতান সিটির পুলিশ কর্মকর্তা ইমরান মেহমুদ জানিয়েছেন, আজমল এবং তার বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাই পালিয়ে গেছেন। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।
