২০১৫ সালে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেয় আফগানিস্তান। সেই আসরেই একটি ম্যাচে জয় পায় তারা। তবে দ্বিতীয় আসরে ২০১৯ সালে খেলতে কোনো ম্যাচে না জিতেই বাড়ি ফিরতে হয় তাদের। কিন্তু তৃতীয় আসরে আফগানরা যা করে দেখায় তা রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে সবাইকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আফগানদের সক্ষমতা সম্পর্কে এর আগে জানান দিলেও বিশ্ব ক্রিকেটকে গেল বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে তাদের এই ফরম্যাটে সামর্থ্য দেখিয়েছে রশিদ-নবি-মুজিবরা।
আসরের প্রথম পর্বের ৯ ম্যাচ খেলে ৪ জয় এবং ৫ হারে পয়েন্ট টেবিলের ৬ নম্বরে থেকে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করে আফগানরা। তবে তার আগে টুর্নামেন্টটির সেমিফাইনালে খেলারও সম্ভাবনা জাগিয়েছিল তারা। যদিও সেই স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে দেয় আসরের শিরোপা জয়ী দল অস্ট্রেলিয়া।
আফগানিস্তানের এমন সাফল্যের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন দলটির হেড কোচ জনাথন ট্রট। এর আগে ২০২২ সালের জুলাই মাসে আফগানিস্তান দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার জনাথন ট্রট। তার সময়ে আফগানিস্তান তাদের সেরা সাফল্যের দেখা পায়। জনাথন ট্রট দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩টি ওয়ানডে মধ্যের আটটি ম্যাচ জিতেছে আফগানরা।
এর মধ্যে ঘরের মাটিতে এসে বাংলাদেশকেও হারিয়ে গেছে তারা। সেই সঙ্গে ২৬টি টি-টোয়েন্টি খেলে ১১টি ম্যাচে জয়ের দেখা পায় আফগানরা। তার এমন সাফল্যের পর আবারও তার ওপর আস্থা রাখছে। আগামী এক বছরের জন্য জনাথন ট্রটের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। এক বিবৃতি দিয়ে ট্রটের চুক্তি বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।
সোমবার এসিবি বিবৃতিতে বলেছে, ‘১৮ মাসের সফল মেয়াদের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই সময়ে তিনি দলের অগ্রগতি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’ জনাথন ট্রট তার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোয় আনন্দ প্রকাশ করে বলেন যে, তিনি দলের সঙ্গে আরও বেশি সময় ব্যয় করতে এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩-এর পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে কাজ করার জন্য বেশ আগ্রহী। আফগানিস্তান বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে।

