দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্রীড়াঙ্গনের অনেক বাঘা বাঘা প্রার্থী লড়াই করছেন। এদের মধ্যে সাবেক তারকা ফুটবলার ক্রীড়া উপমন্ত্রী ছিলেন আরিফ খান জয়। নেত্রকোনো-২ সদর আসন থেকে এবার লড়াই করছেন ঈগল প্রতীকে। ঘরে ঘরে ভোটারদের কাছে গেছেন। ভালো সাড়া পেয়েছেন।
আরিফ খান জয় এ দেশের ফুটবলকে ট্রফি দিয়েছেন। বাংলাদেশের ফুটবলে ট্রফি খরা মিটিয়েছেন এই মিডফিল্ডার, আবাহনীর অধিনায়ক, খেলেছেন মোহামেডানেও। ফুটবলে সব বড় দলেই খেলেছেন জয়। ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল করে বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন। ঘরের মাঠে ট্রফি এনে দিয়েছেন। ফুটবলে তার সাফল্য আছে।
২০১৪-২০১৮ মেয়াদে এমপি ছিলেন জয়। কাজেকর্মে শততা আর নিষ্ঠার কারণে ক্রীড়া উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। নেত্রকোনার সংসদ সদস্য হওয়ার পর উন্নয়ন কাজে হাত লাগিয়েছিলেন জয়, সে কথা স্থানীয় জনগণ ভোলেননি। মানুষের প্রাণের দাবি ছিল, দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাইপাস করেছেন বলে জানান আরিফ খান জয়। তার কাজের সাফল্যের মালা বেশ বড়।
তিনি বলেন, ‘নেত্রকোনায় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, পুষ্টি ও গবেষণা কেন্দ্র, শেখ কামাল আইটি সেন্টার, পাসপোর্ট অফিস, নতুন জেলখানা, নেত্রকোনা মেডিক্যাল কলেজ, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিকমানের ইনডোর স্টেডিয়াম বানিয়েছি, আরো আছে কত বলব।’ তিনি বলেন, ‘আমি ছোট বেলা থেকে সাংগঠনিক কাজ করে আসছি। আমরা পারিবারিকভাবে সেভাবেই বড় হয়েছি। মানুষের পাশে, জনকল্যাণে জীবন ঢেলে দেওয়ার মতো শিক্ষা আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে পেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষা নিয়েছি। তারপরও বলব কাজেকর্মে অনেক সময় ভুল হয়। ভুলভ্রান্তি ভুলে আমার এলাকার জনগণ নতুন করে আমাকে সুযোগ দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।’
