উন্নয়নের স্বপ্নযাত্রায় নৌকা মার্কার বিকল্প নাই: আব্দুল আজিজ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১৭:১৭

সিরাজগঞ্জ-৩ (তাড়াশ-রায়গঞ্জ-সলঙ্গা) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ বলেছেন, উন্নয়নের স্বপ্নযাত্রায় নৌকা মার্কার বিকল্প নাই। ভোটাররা ভালোবেসে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনবেন। শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশেষ করে বিগত পাঁচ বছরে আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে যা করার প্রয়োজন সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। আমি জানি, এখনো অনেক কিছু করার বাকি রয়ে গেছে। এবারে নির্বাচিত হলে অবশ্যই অসম্পূর্ণ কাজগুলো করব।  

তিনি আরও বলেন, আমার এমপি মেয়াদকালে অর্ধলক্ষাধিক শিশুর চিকিৎসা করেছি বিনামূল্যে। নির্বাচনী এলাকায় এসে কোন দিন রাতে ঘুমাতে পারিনি। রোগী দেখা শেষ করে সকালের দিকে ঘুমিয়েছি। মানবসেবাই মরম ধর্ম। ফলে নৌকার এ জয় নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী। 

এদিকে ভোটারদের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রাথী কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইটের ঈগল প্রতীকের কিছু সমর্থক সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন শেষ মুহূর্তে এসে। তারা লোকজনকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ ও কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট দুই জনই আওয়ামী লীগের নেতা। এবারে কৃষিবিদ সুইটকে ভোট দেন। কিন্তু ভোটাররা নৌকার পক্ষে একাট্টা। তারা নৌকা প্রতীকেই ভোট দেবেন।  

তাড়াশ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ জন। আসনটিতে নৌকা ও ঈগল প্রতীক ছাড়াও আরো তিন জন প্রার্থী প্রতিতদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির জাকির হোসেন (লাঙল), বিএনএমের গোলাম মোস্তফা (নোঙর) ও স্বতন্ত্র নুরুল ইসলাম (ট্রাক)।

তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত কুমার কর্মকার বলেন, নেতা-কর্মীদের মধ্যে অন্তদ্বন্দ্ব থাকতে পারে। কিন্তু তাড়াশের ভোটাররা নৌকায় ভোট দেবেন। 

রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হৃদয় বলেন, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ নিঃসন্দেহে একজন শ্রদ্ধাভাজন ভালো মানুষ। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যোগ্য নেতা ছাড়া কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব না। আবারও নৌকার বিজয় হবে।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কৃষিবিদ সাখাওয়াত হোসেন সুইট বলেন, এবার জনগনের ভোট হবে। এবারের ভোট ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই আমি প্রথম হব। 

ইত্তেফাক/পিও