কেশবপুরে নৌকা ঠেকাও গুঞ্জন, নিজেরা আগুন দিয়ে স্বতন্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৪, ২১:০৯

যশোর-৬ (কেবশপুর) আসনে বহিরাগত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদারকে ঠেকানোর গুঞ্জন উঠেছে। এ ছাড়া যশোরের কেশবপুরে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, নিজেরাই অফিসে আগুন দিয়ে স্বতন্ত্রদের বিরুদ্ধে ঘটনা ভিন্ন পথে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
 
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) গভীর রাতে কে বা কারা অগ্নিসংযোগ করে অফিসটি পুড়িয়ে দেয়।

জানা গেছে, কেশবপুর পৌরসভার ৩ নম্বর বায়সা ওয়ার্ডে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্যে নৌকা প্রতীকের অফিস করে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা। গত বৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার পর নির্বাচনী অফিস বন্ধ করে নেতাকর্মীরা বাড়িতে যান। খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুহিন হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হোসেন, থানার ওসি জহিরুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

কেশবপুর পৌর সভার মেয়র ও পৌর নৌকা প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, নৌকা প্রতীকের কর্মী মঞ্জুয়ারা খাতুন বায়সা এলাকায় নৌকা প্রতীকের গণসংযোগ করতে যান। এ সময় স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল ইসলামের নির্বাচনী সমন্বয়কারী ও পৌর কাউন্সিলর কবীর হোসেন তাকে হুমকি দেয়। এর ২ দিন পরেই ওই অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় পৌর কাউন্সিলর কবীর হোসেন, তার পিতা দবির হোসেন, টিপু ও মুনতাসিরসহ আরও কয়েক জনের নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। 

পৌর কাউন্সিলর কবীর হোসেন বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। বায়সা এলাকার ভোটরা ঈগল প্রতীকে ভোট দিতে চায়। ঈগলের বিজয় সুনিশ্চিত জেনে নৌকা প্রতীকের কর্মীরা তাদের অফিসে অগ্নিসংযোগ করে আমাদের দোষারোপ করছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, কেশবপুরে এখন নৌকা ঠেকাও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। তারা আর বাইরের প্রার্থী শাহীন চালকাদারকে চাইছে না।

কেশবপুর থানার ওসি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
উল্লেখ্য, এ আসনে এবার ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তারা হলেন শাহীন চাকলাদার (নৌকা), এইচ এম আমির হোসেন (কাঁচি) আজিজুল ইসলাম (ঈগল) জিএম হাসান (লাঙ্গল)।

ইত্তেফাক/পিও