বন্ধুদের মিলনমেলায়

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৯, ২০:২২

‘মেতে উঠি অনন্দে, ফিরে যাই শৈশবে’— এই স্লোগান নিয়ে মণিরামপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাচ-২০১৪ এর প্রথম রিইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হয়। তাদের এই স্লোগান যেন সত্যিই বাস্তবে রূপ নিয়েছিল। ‘শৈশব’ বলতেই মনে পড়ে হাজারটা রঙিন-মলিন স্মৃতিমাখা অবাধ স্বাধীনতার অসাধারণ কিছু দিনের কথা। স্কুলের কথা যখন আসলই, দপ্তরি-নানী এর কথা না বললে তো লেখাটা কেমন যেন অপূর্ণ থেকে যায়। নামটা মনে পড়ছে না; কিন্তু চেহারাটা দিব্যি চোখে ভাসে আজও। কাঁচা-পাকা চুল,  হাস্যোজ্জ্বল এক চেহারা। মনে হয়, এইতো সেদিন হাতে পিতলের ঘণ্টা আর হাতুড়ি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন স্কুলের বারান্দা দিয়ে। অতঃপর— ঢং ঢং ঢং ঢং ঢং। সঙ্গে সঙ্গে চিত্কার করতে করতে এক ঝাঁক দুরন্ত ছেলেমেয়ের দৌড়ঝাঁপ শুরু। আহ্, সোনালি সেই দিনগুলো ছিল বটে!

ব্যস্ত  লাইফে স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করাটা আজকাল হয়তো তেমন হয়েই ওঠে না। আর ঠিক সেই কথা ভেবেই, স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে যাতে একটা ছোট্ট রিইউনিয়ন হয়ে যায় সেই আয়োজনই করেছিল পাইলটিয়ান ব্যাচ-২০১৪। দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকা বন্ধুদের পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। খোঁজ নেন পরিবার-পরিজনের। অনেকের চেহারা চেনা চেনা লাগলেও পরিচয় জেনেই নিশ্চিত হই তিনিই সেই বন্ধু। এভাবে পাইলটের পুরো মাঠটিই যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। যেন এই সাবেক শিক্ষার্থীরা শৈশবের উত্সবে মেতে ওঠে। স্কুল, বন্ধু, শৈশব—সবকিছুই আবার ফিরে পেতে ইচ্ছে করে; কিন্তু তা তো হওয়ার নয়। সময়ের সে াত অতীত ফিরিয়ে দেয় না। তাই স্মৃতি হাতড়ে বেঁচে থাকতে হয় জীবনভর।