বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সাগরদাঁড়িতে জমে উঠেছে মধুমেলা 

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৪, ২০:৫৪

হাজারো দর্শনার্থীদের পদচারণায় আনন্দ উচ্ছ্বাসে জমে উঠেছে মধুমেলা। কপোতাক্ষ নদের দু’পারে এখন এ মেলা মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) থেকে যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে শুরু হয়েছে ৯ দিনব্যাপী মধুমেলা।

সরেজমিনে রোববার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে মেলার মাঠসহ কপোতাক্ষ নদ পারে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা দেখা গেছে। এবারের মধুমেলায় দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য মধুমঞ্চে কেশবপুর ও যশোরের শিল্পীগোষ্ঠীসহ দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের আলোচনা, কবিতা, সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি প্যান্ডেলে সার্কাস, যাদু প্রদর্শনী ও মৃত্যুকূপ রয়েছে। 

ছবি: আশরাফ-উজ-জামান

শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলাসহ নানা আয়োজন। মেলার মাঠে কুটির শিল্পসহ প্রায় ৫ শতাধিক বিভিন্ন পণ্যের পসরা বসেছে। এ ছাড়া মেলার মাঠে বসানো হয়েছে বাহারি আকারের তৈরি মিষ্টির দোকান। হরেক রকমের পান, মটকা চা, ফুচকা-চটপটি, আচার ও মোয়া-মুড়ির দোকানগুলোতে রয়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। মেলার মাঠের একপাশে রয়েছে খাট পালঙ্গসহ আসবাবপত্রের দোকান।

সাতক্ষীরা থেকে আসা আসিফ হোসেন বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মধুমেলায় এসেছি। মেলা থেকে ছেলে-মেয়েদের জন্য বিভিন্ন খেলনা কেনা হয়েছে। মধুমেলায় এসে কবির বসতভিটা, কপোতাক্ষ নদ পাড়, বিদায় ঘাট, কবির স্মৃতি বিজড়িত বুড়ো কাঠবাদাম গাছতলা ও মধুমেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে খুবই ভালো লেগেছে।

বাগেরহাট শহর থেকে মেলা দেখতে আসা রায়হান হোসেন বলেন, মধুমেলার কথা অনেক শুনেছি, কিন্তু কখনো আসা হয়নি। এবারই প্রথম মধুমেলায় এসেছি। মেলার মাঠ ও কপোতাক্ষ নদ পাড় ঘুরে বিভিন্ন প্যান্ডেলের অনুষ্ঠান দেখে মুগ্ধ হয়েছি।
 
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুহিন হোসেন বলেন, মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৯ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মধুমেলা আগামী ২৭ জানুয়ারি শেষ হবে।

ইত্তেফাক/পিও