বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

গোয়ার কথা বলে অযোধ্যায় হানিমুন, বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন স্ত্রীর

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:২০

সদ্য বিয়ে হয়েছে, সংসারেও অর্থের টানাটানি নেই। তাই হানিমুনে বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু বাড়ির লোকজনের খেয়াল রাখতে হবে জানিয়ে দেশের ভেতরেই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেন স্বামী। অতঃপর সিদ্ধান্ত হয়, আরব সাগরের তীরে অনিন্দ্য সুন্দর গোয়ায় হানিমুনে যাবেন তারা। কিন্তু যাত্রার মাত্র এক দিন আগে স্বামী জানান, তারা গোয়ায় নয়, অযোধ্যায় যাচ্ছেন, তা-ও সপরিবারে। এ নিয়েই মনঃকষ্টের জেরে শেষ পর্যন্ত আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন স্ত্রী। সম্প্রতি ভারতের মধ্য প্রদেশে এই ঘটনা ঘটেছে।

আবেদনে ঐ নারী জানান, তার স্বামী আইটি খাতে কাজ করেন এবং মোটা অঙ্কের বেতন পান। নারী নিজেও কর্মজীবী এবং ভালো আয় করেন। অর্থাত্ হানিমুনে বিদেশে যাওয়া তাদের জন্য কোনো বড় বিষয় নয়, কিন্তু আর্থিক সংকট না থাকা সত্ত্বেও ঐ নারীর স্বামী তাকে বিদেশে নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিবর্তে ভারতের ভেতরেই ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেন। 

যুবকের দাবি, তাকে তার বাবা-মাকে খেয়াল রাখতে হবে। অতঃপর ঐ দম্পতি গোয়া অথবা দক্ষিণ ভারতের কোনো রাজ্যে হানিমুনে যেতে সম্মত হন। কিন্তু এরপর ঐ যুবক গোয়ার পরিবর্তে অযোধ্যায় যাওয়ার ফ্লাইট বুকড করেন। কারণ, তার মা রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে শহরটিতে যেতে চাইছিলেন। গন্তব্য পরিবর্তনের বিষয়ে আগে থেকে স্ত্রীকে কিছুই জানাননি যুবক। যাত্রা শুরুর মাত্র এক দিন আগে বিষয়টি স্ত্রীকে জানান তিনি।

তখনো অবশ্য কোনো আপত্তি করেননি স্ত্রী। তর্কবিতর্ক ছাড়াই হানিমুনে চলে যান। কিন্তু ভ্রমণ থেকে ফেরার ১০ দিন পরই পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন ঐ নারী। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, হানিমুনের সময় তার চেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতিই বেশি খেয়াল ছিল স্বামীর। তবে স্বামী দাবি করেছেন, ছোট একটি বিষয়কে বড় করে দেখছেন তার স্ত্রী। বর্তমানে ভোপালের পারিবারিক আদালতে কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে এই দম্পতিকে।

ইত্তেফাক/এসআর

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন