নিহত পাকিস্তানিদের পরিবার লাশ খুঁজছে

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:২৪

ইরানের সারাবন এলাকায় বন্দুক হামলায় নিহত পাঁচ পাকিস্তানি শ্রমিকের পরিবার দাফনের জন্য তাদের প্রিয়জনদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। খবর ডনের।

ইরানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মুদাসির টিপু রবিবার (২৯ জানুয়ারি) বলেছেন, সারাবন হামলায় আহত দুই পাকিস্তানিকে শীঘ্রই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যজনের অবস্থা এখনও জটিল, তার আরো চিকিৎসা দরকার। 

মুজাফফরগড় জেলার আলিপুর তহসিলে সহকারী কমিশনারের কার্যালয়ের বাইরে বন্দুক হামলায় নিহতদের প্রতিবাদী পরিবার বিক্ষোভ করেছে।

পাকিস্তানি সীমান্তের কাছে সিস্তান-বেলুচেস্তান প্রদেশের সারাভান শহরের সিরকান এলাকায় সশস্ত্র লোকেরা একটি বাড়িতে হামলা চালালে মুহম্মদ আসিফ, মুহাম্মদ শোয়েব, শাব্বির, মুহাম্মদ আজহার এবং তার ছোট ভাই মুহাম্মদ আসগর নামে চিহ্নিত শ্রমিকরা প্রাণ হারায়।

অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা গুলি চালানোর আগে ইরানে আট থেকে ১০ বছর ধরে কর্মরত এবং তাদের নিজস্ব কেনা সম্পত্তিতে বসবাসকারী শ্রমিকদের তাদের জাতীয়তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল বলে জান গেছে। মুখতার নামের নিহতদের একজনের আত্মীয় বলেন, বাকি চারজন ভুক্তভোগী বাহাওয়ালপুর জেলার বাসিন্দা। তারা সবাই পেশায় শ্রমিক, ইলেকট্রিশিয়ান, এবং নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন। হামলাকারীরা পাকিস্তানের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছে দাবি করে স্লোগান দিচ্ছিল।

পাকিস্তান ও ইরান সীমান্ত অঞ্চলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযানের পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রস্তুতিকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহতদের পরিবার দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের স্বজনদের লাশ ফেরত দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তাদের দাবিগুলি সুশীল সমাজের সমর্থন পেয়েছে। দাবির সাথে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে সুশীল সমাজ।

পররাষ্ট্র মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ বলেন, আমরা ইরানি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছি এবং অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করার এবং এই জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছি।

ইত্তেফাক/এনএন