বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

দৌলতপুরে পদ্মায় বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:০৪

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে শীতের তীব্রতার সঙ্গে সঙ্গে শুষ্ক মৌসুমেও প্রমত্তা পদ্মায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ২ সপ্তাহ ধরে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভুরকা, হাটখোলা ও কোলদিয়াড় গ্রামের বেশ কিছু আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

শুষ্ক মৌসুমের এই ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রায়টা-মহিষকুন্ডি নদী রক্ষা বাঁধ, ভারত থেকে আসা বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনসহ সরকারি ও বেসরকারি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। তবে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

‘নদী ভাঙবে। এটা নদীর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। দ্রুত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে’
- আব্দুল হামিদ
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), কুষ্টিয়া

এলাকাবাসী জানায়, নদী ভাঙনের তীব্রতায় বেড়িবাঁধের কাছে ভাঙন শুরু হয়েছে। যদি এই বাঁধ ভেঙে যায় তবে ভরা মৌসুমে এই এলাকা বিলীন হয়ে যাবে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর দিক বদলেছে। ফলশ্রুতিতে শুষ্ক মৌসুমেও নদী ভাঙনের এই তীব্রতা দেখা দিয়েছে।

প্রমত্তা পদ্মায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে আবাদী জমি। ছবি: ইত্তেফাক

মরিচা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই নদী ভাঙনের ফলে কৃষকের কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।’

ভুরকা মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক নুরুজ্জামান বলেন, ‘ভুরকা-হাটখোলা পাড়া থেকে কোলদিয়াড় পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী ভাঙন তীব্র আকার নিয়েছে। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ৩ ফসলি জমি ও বাগান। ফসলি জমি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।’

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, ‘নদী ভাঙবে। এটা নদীর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। দ্রুত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’

ইত্তেফাক/এইচএ