মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

কোম্পানীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৫

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৮:৩৪

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগি বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২ জনের নাম উল্লেখসহ ১১-১২জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল খালেক মুন্সির বাড়ির মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মকসুদের রহমান মুছা মিয়ার বসতঘর বীর নিবাসের প্রবেশ পথে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৪ জনসহ ৫ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন,  মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সাজেদা আক্তার (৬৫), তিন মেয়ে রোজিনা আক্তার (৩৮), মাজেদা আক্তার (৩৪), বিবি জয়নব (৩২) ও মাইন উদ্দিন সিস্টন (৫৫)। হামলার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতায় আছেন বলে মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মকসুদের রহমান মুছা মিয়ার পরিবার জানায়।

জানা যায়, একই বাড়ীর মৃত আবদুল মালেকের ছেলে কামরুল (৪৮) এবং তার ভাই সাহাব উদ্দিন (৬০) অজ্ঞাতনামা বহিরাগতরাসহ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ‘বীর নিবাসের’ প্রবেশ পথে অবৈধ জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করতে থাকে। পরে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডায় এক পর্যায়ে বহিরাগতসহ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসী হামলায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৪ জনসহ ৫ জন আহত হন। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বিবাদীরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সালিস বিচার মানে না, ইউনিয়ন পরিষদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তারা জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করতে গেলেই বাধা দিলে এ হামলার স্বীকার হয় পরিবারটি।

এ হামলার ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানানোর পর ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয় নিতে বলা হলে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত কামরুল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তিনি তার পৈত্রিক ওয়ারিশ ভূমিতেই ঘর নির্মাণ করছেন। মৃত মুক্তিযোদ্ধা মুছা মিয়ার বীর নিবাসের সম্মুখে ২ ফুট ৩ ইঞ্চি জায়গা চলাচলের পথ উন্মুক্ত রেখেই বিধি মোতাবেক নিজ জায়গায় ঘর নির্মাণ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি প্রনব চৌধুরী জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/পিও