বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

চাটখিলে পেটে জোড়া লাগা ২ শিশু কন্যাকে নিয়ে বিপাকে মা-বাবা

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:৩১

নোয়াখালী জেলা চাটখিলের উত্তর বদলকোট গ্রামের মাহাবুবুর রহমানের মেয়ে আফরোজা সুলতানা মেঘলার পেটে জোড়া লাগানো ২শিশু কন্যাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে ঐ ২ শিশু মা মেঘলা ও বাবা শাহনুর। গত ২৬ জানুয়ারি ঢাকা একটি বেসরকারি হাসপাতালে পেটে জোড়া লাগানো এ ২টি শিশু কন্যার জন্ম হয়। শিশু ২টির নাম রাখা মাইমুনা ও মরিয়ম। 

মেঘলা মা ফাতেমা আক্তার জানান, ১০ মাস আগে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার শাহানুর ইসলামের সাথে তার মেয়ের বিয়ে হয়। শাহানুর মুন্সিগঞ্জের বাটার চর এলাকার একটি কাপড় মিলে দিন মজুরের কাজ করে। হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে জোড়া লাগানো শিশু ২টিকে অর্থের অভাবে অপারেশন করে আলাদা করা সম্ভব হচ্ছে না। জন্মের পর শিশু ২টিকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানকার ডাক্তারগণ এ ২ শিশুর অপারেশন করে চিকিৎসার করার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি জন্য রেফার করে। খোজ নিয়ে জানা গেছে টাকা অভাবে পেটে জোড়া লাগানো এ ২ শিশুকে ঢাকায় নেওয়া যাচ্ছে না। তারা বর্তমানে চাটখিলে বদল কোট গ্রামে নানার বাড়ীতে রয়েছে। 

পেটে জোড়া লাগানো ২ শিশু কন্যা আর্থিক সংকটে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে প্রচারিত হয়। এ সংবাদে নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম এবং মো. মোর্তাহিন বিল্লাহকে শিশু  ২কে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। চাটখিল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমদাদুল হকও চিকিৎসার জন আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। বিভিন্নভাবে প্রাপ্ত এ টাকা দিয়ে এ ২ শিশুর চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 

স্থানীয় সংসদ সদস্য এইচ.এম ইব্রাহিম জানান, তিনি শিশু ২টিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য বলেছেন। তিনিও চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন বলে জানান।

ইত্তেফাক/পিও