পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকাল ৫টায়। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এরই মধ্যে শুরু হয়েছে গণনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে। কোন দল ক্ষমতায় আসছে, কে হচ্ছেন পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ১০ ঘণ্টা পরও ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে ভোট গণনা নিয়ে। নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, ফল ঘোষণায় এমন বিলম্ব অস্বাভাবিক। কারণ পাকিস্তানের অতীতের নির্বাচনগুলোতে কখনোই এতো বিলম্ব হয়নি। রাত ফুরাবার আগেই বোঝা যায় কোন দল বিজয়ী। তবে এবারে চিত্রটা ভিন্ন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে ভোটের ফল আসছে খুব ধীরগতিতে।
টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি নিউজ পোর্টাল ও অন্যান্য প্লাটফর্মে বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে তিন ধাপে। অস্থায়ী ফলাফল, ফলাফল সমন্বয় এবং ফলাফল ঘোষণা।
এদিকে ভোটের ফল ঘোষণায় কেন এমন বিলম্ব হচ্ছে জানতে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাতে কোনো সাড়া দেয়নি ইসিপি।
স্থানীয় টেলিভিশনগুলোর তথ্যমতে, এবার জাতীয় পরিষদের ২৬৫ আসনে ভোট হয়েছে। ভোটগ্রহণের সাত ঘণ্টা পারও সেগুলোর মাত্র ২০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে।
এর আগে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) নিঘাত সাদিক (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, প্রিজাইডিং অফিসারদেরকে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনের ফলাফল পাঠাতে হবে।
