তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
দেশের প্রথম দুই লেন হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের তাড়াশ অংশের ৯ কিলোমিটার দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। কার্পেটিং উঠে ইটের সোলিং নষ্ট হয়ে খানাখন্দে ভরে গেছে। মহাসড়কটির ওই ৯ কিলোমিটার পার্শ্ব রাস্তার চিত্র আরো করুণ। এ পথে শুধু খানাখন্দই নয়, মাঝে মধ্যে রাস্তার অর্ধেক ধসে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে মূল সড়ক ও পার্শ্ব রাস্তা নাজুক হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী ও চালকেরা। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
ভুক্তভোগী রহিম মণ্ডল, আজগর আলী, নব কুমার ঘোষসহ কয়েকজন বাস-ট্রাক চালক জানান, উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর। দক্ষিণাঞ্চলের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার যাতায়াতের প্রধান রুট হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। বেহাল সড়কে গাড়ির স্টিয়ারিং ঠিক রাখা যায় না। সঠিক সময়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে হিমশম খেতে হয়। সড়কে দেরি হওয়ায় কাঁচামাল অনেক সময় ট্রাকের মধ্যেই পচন ধরে। পার্শ্ব রাস্তার যানবাহনগুলো মহাসড়কে উঠে আসায় যানবাহন চলাচলে সমস্যা আরো প্রকট হচ্ছে। দিগ্বিদিক না দেখে যেদিক সেদিক দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন চালকরা। ফলে মাঝে মধ্যেই ঘটছে বড় দুর্ঘটনা।
এ প্রসঙ্গে জেলা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ডা. মোহাম্মাদ আহাদ উল্লাহ বলেন, হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশের ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার ইতোমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। বাকি ৯ কিলোমিটারের জন্য প্রিয়োডিক মেইনটেন্যান্স প্রোগ্রামের (পিএমপি) আওতায় সংস্কারের জন্য আলাদা প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে সংস্কার কাজ করা হবে। একই সঙ্গে পার্শ্ব রাস্তাটিরও সংস্কার করা হবে।
