বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

জোট সরকার গঠন করতে চান নওয়াজ শরিফ

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ২১:৪১

জোট সরকার গঠন করতে চান পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফ। জোট গঠনের জন্য প্রার্থী খুঁজছেন তিনি। শুক্রবার নির্বাচনী ফল ঘোষণার মধ্যে বিজয়ী ভাষণে এ কথা বলেছেন তিনি। খবর বিবিসি।

নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন এখন পর্যন্ত ৬২টি আসন পেয়েছেন আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯০টি আসন।

বিবিসি উর্দু জানিয়েছে, ৭১ জনের বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার দল পিটিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত।

শরিফ বলেছেন, তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভাল হত। কারণ তিনি স্বীকার করেছেন তার একার পক্ষে সরকার গঠনের মতো আসন নেই। তাই তিনি জোট গঠনের চেষ্টা করবেন।

বিজয়ের ভাষণে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের স্বাগতও জানিয়েছেন। নওয়াজ শরিফ তার ভাষণে বলেছেন, তিনি তার দেশকে কঠিন সময় থেকে পার করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও দেশকে কঠিন সময় পার করেছি এবং আমরা আবারও তা করতে পারি।’

এদিকে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মোট ২২০টি আসনের অনানুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হয়েছে।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা পেয়েছেন ৯১টি আসন যার বেশিরভাগই ইমরান খান সমর্থিত। নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৬২টি। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী পিপিপি পেয়েছে ৪৮টি আসন। বাকি দলগুলো পেয়েছে মোট ১৪টি আসন।

আইনি বাধার কারণে ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে অংশ নিয়েছেন। দেশটির নির্বাচন কমিশন তাদের দলীয় প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট নিষিদ্ধ করায় একেকজন প্রার্থী ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকে ভোটে লড়েছেন।

কোনো দল এককভাবে সরকার গঠন করতে চাইলে এবার ১৩৪টি আসনে জিততে হবে। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, পাকিস্তানে এবার কোনো দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না-ও পেতে পারে।

প্রধান তিনটি দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত লড়াই প্রায় সমান হওয়ায় বেশ নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠন করতে পারবেন তা নিয়ে এখনও বিশ্লেষকরা কোনো পূর্ভাবাস দিতে পারছেন না।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী আরও ৫১টি আসনের ফল ঘোষণা বাকি আছে এখনও। আর একটি আসনে ভোটের আগের দিন প্রার্থী নিহত হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এসএটি