বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন

নওয়াজের সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে জোট করবে পিপিপি

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৩:৫৯

পকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৫০ আসনের ফল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। আর মাত্র ১৫ আসনের ফল ঘোষণা বাকি। প্রাপ্ত ফল আনুযায়ী ৯৯ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) জয় পেয়েছে ৭১ আসনে এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পেয়েছে ৫৩ আসন। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ২৭টি আসন। 

রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসনের হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএলএন) চেয়ারম্যান নওয়াজ শরীফ ইতোমধ্যে সরকার গঠনের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে জোট গঠনের তৎপরতাও শুরু করেছেন তিনি।

পিএমএল-এন সভাপতি শাহবাজ শরীফ পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে দেখা করে পিএমএল-এন - পিপিপি ৪৫ মিনিটের এক বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা কেন্দ্রে ও পাঞ্জাবে জোট সরকার গঠনে সম্মত হয়েছেন।

তবে, জোট গঠনে শর্ত জুড়ে দিয়েছে পিপিপি। পিপিপির শীর্ষ মুখপাত্র খুরশিদ শাহ বলেছেন, ‘নওয়াজ শরীফ প্রধানমন্ত্রী হতে চান। এজন্যই জোট গঠনের তৎপরতা চালাচ্ছেন। জোট সরকারের অংশ হতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমরা তাকে (নওয়াজ) প্রধানমন্ত্রীর পদে দেখতে চাই না। আমরা চাই, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন আমাদের দলের চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি।’

খুরশীদ শাহ আরও বলেন, ‘এখনও তো সবগুলো আসনের ফলাফল আসেনি। তার (নওয়াজ) এত ব্যস্ততা কীসের? যাই হোক, আমরা আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেব।’

এদিকে, পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর খান দাবি করেন, পিটিআই জাতীয় পরিষদের ১৫০টি আসন জিততে যাচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন অর্জন করতে সক্ষম হবে।

ব্যারিস্টার গোহর বলেন, "আমরা পিপিপি এবং পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করতে চাই না। আমরা কেন্দ্র এবং পাঞ্জাবে সরকার গঠন করব। খাইবার পাখতুনখোয়ায় পিটিআই স্পষ্টতই এগিয়ে আছে এবং সেখানেও সরকার গঠন করবে। পিটিআই সংসদে থাকবে এবং তার কাজ করে যাবে।"

তিনি আরও বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পিটিআই সমর্থিত এবং তারা ক্ষমতা হারানোর ভয়ে দলীয় নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনো দলে যোগ দেবেন না।

ইত্তেফাক/এনএন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন