বহ্নিশিখার আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৯, ২১:৫৯

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলা সাহিত্যের দুই মহান স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে গানে গানে স্মরণ করলেন শিল্পীরা। সংগীতের পাশাপাশি ছিল নৃত্য, আবৃত্তি ও আলোচনা। সাংস্কৃতিক সংগঠন বহ্নিশিখার আয়োজনে সুফিয়া কামাল কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে রবীন্দ্র-নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আতিউর রহমান রবীন্দ্র-নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। সভাপতিত্ব করেন বহ্নিশিখার সভাপতি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

 শিল্পী জিনিয়া আফরোজের বেহালাবাদন দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর সম্মেলক কণ্ঠে বহ্নিশিখার শিল্পীরা গেয়ে শোনান ‘গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে’। সঙ্গে ছিল নৃত্য। তারা গেয়ে শোনান ‘রুমঝুম রুমঝুম কে বাজায়’। সংগঠনের নৃত্যশিল্পীরা ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন।

সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীদের কণ্ঠে গীত হয় ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ এবং উদীচীর শিল্পীরা গেয়ে শোনান ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’ ও ‘সংকোচের বিহ্বলতা’। সম্মেলক কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন ক্রান্তি ও স্বভূমির শিল্পীরা।

একক কণ্ঠে শিমুল সাহা ‘উচাটন মন ঘরে রয় না’, আবিদা রহমান সেতু ‘সখী বাঁধলো বাঁধলো’, আসিফ ইকবাল সৌরভ ‘পদ্মার ঢেউ রে’ এবং মোহনা দাস ‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল’ গেয়ে শোনান। একক কণ্ঠে আরও সংগীত পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী কমলিকা চক্রবর্তী। আবৃত্তি করেন রফিকুল ইসলাম, ফয়জুল আলম পাপ্পু, নায়লা তারান্নুম কাকলী ও মাহফুজা আক্তার মিরা।

বহ্নিশিখার শিল্পীদের কণ্ঠে ‘মেঘের ডমরু ঘন বাজে’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই আয়োজন।