বরিশালে এক স্যানিটারি ব্যবসায়ী তার স্ত্রী-সন্তানসহ নিখোঁজ হয়েছেন। তারা এক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে ব্যবসায়ীর মা জানিয়েছেন। নিখোঁজ ওই ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার রায় বরিশাল নগরীর ফরেস্টারবাড়ির পুল এলাকার হুমায়ুন কবীরের বাসার ভাড়াটিয়া এবং নগরীর সদর রোডস্থ এআর ট্রেডিং নামের স্যানিটারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন। নিখোঁজের ঘটনায় দিলীপ রায়ের মা মায়া রানী রায় মঙ্গলবার বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। গত ২৮ মে থেকে ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি এই ডায়েরি করেন। দিলীপের সঙ্গে তার স্ত্রী সুবর্ণা রায় ও সন্তান অরণ্য রায়েরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
দিলীপ রায়ের মা মায়া রানী বলেন, ‘আমার সব ছেলেরা যে যার মতো করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি করে। তাই কারো সঙ্গে কারো যোগাযোগ নেই। মাঝেমধ্যে ফোন করে কথা বলত আমার সঙ্গে। নিজস্ব বাড়ি না থাকায় সবার ভাড়া বাসায় যে যার মতো করে থাকে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘ এক মাস ধরে আমার ছেলে ও তার স্ত্রী-সন্তান নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় আমি বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।’ দিলীপের কাছে ব্যাংক ও স্থানীয় কিছু ব্যক্তির সঙ্গে অর্থ লেনদেন হয়েছে। অনেকের ধারণা, দেনার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় দিলীপ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে পরিবার সূত্র বলছে, দিলীপ যদি কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে তিনি নিজের দোকানের মালামাল রেখে পালিয়ে যাবেন কেন? মালামাল বিক্রি করে বা সরিয়ে ফেলে পালিয়ে যেতে পারতেন।
বরিশালে এক ব্যক্তির আট বছর কারাদণ্ড
বরিশালে ইয়াবা মামলায় একজনকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার বরিশালের জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরগুনা শহরের পূর্ব গাবতলী থানার তালতলীর সুভাষ চন্দ্র সমাদ্দারের ছেলে শংকর চন্দ্র সমাদ্দার। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
