টেকনাফে ইয়াবার চালান খালাস করতে গিয়ে ২ লাখ ইয়াবা মামলার ফেরারি আসামি সলিমুল্লাহ র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা গেছে। এ সময় র্যাবের দুই সদস্য আহত হলেও ঘটনাস্থল হতে দেশীয় অস্ত্র, তাজা বুলেট, খালি খোসা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার ভোরে উপজেলার উত্তর শীলখালী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় ইয়াবার চালান খালাসের গোপন সংবাদ পেয়ে র্যাব-১৫, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে মাদক কারবারিরা র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় র্যাবের দুই সদস্য আহত হলে র্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। ১০/১৫ মিনিট গোলাগুলির পর হামলাকারীরা পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ২টি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড তাজা বুলেট, ৩ রাউন্ড খালি খোসা ও ১০ হাজার ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিত্সার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে নিহতের মৃতদেহ পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর নিহত মাদক কারবারি সদর ইউপির ইসলামাবাদের নজির আহমদের পুত্র সলিমুল্লাহ (৩৫) বলে শনাক্ত করা হয়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তি চলতি বছরের গত ২৭ এপ্রিল রাতে র্যাবের অভিযানে ২ লাখ ইয়াবাসহ তার স্ত্রীকে আটকের সময় পালিয়ে যায়। সে উক্ত মামলার পলাতক আসামিও ছিল।
র্যাব-১৫, টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পরিচালক মির্জা শাহেদ মাহতাব লেঃ (এক্স) পিপিএম বিএন বলেন, মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ২টি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড তাজা বুলেট, ৩ রাউন্ড খালি খোসা ও ১০ হাজার ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
